
মানবাধিকার কমিশন যেন ‘নখদন্তহীন’ প্রতিষ্ঠান না হয়, এমন আইন করা হচ্ছে
মানবাধিকার কমিশনের শক্তিশালী আইন প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন আইনমন্ত্রী।

মানবাধিকার কমিশনের শক্তিশালী আইন প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন আইনমন্ত্রী।

বর্তমান কমিশন মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার ভুক্তভোগীদের পক্ষে দৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে মানবাধিকার কমিশন, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় ও বিচারক নিয়োগসংক্রান্ত অধ্যাদেশ রহিত করায় ৩১ বিশিষ্ট নাগরিক যৌথ বিবৃতি দিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এতে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণ্নের আশঙ্কা করা হয়েছে। সরকারকে নির্বাচনী অঙ্গীকার মেনে চলার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, আগের আইনে ফেরার মধ্য দিয়ে মানবাধিকার কমিশনে সরকারের প্রভাব বাড়বে।

এমএসএফের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দক্ষিণ এশিয়া গভীর রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

নানা সংকট আর চরম দারিদ্র্যের মধ্যে বেড়ে উঠেও সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছে এক কিশোরী। তার নাম তহমিনা আক্তার। সে কুড়িগ্রামের দুর্গম চর কুমরেরবসের বাসিন্দা এবং স্থানীয় মুক্তকণ্ঠ চর আলোর পাঠশালার অষ্টম শ্রেণির মেধাবী শিক্ষার্থী।

মানবাধিকারকর্মী ইয়েন ইয়েনকে চিঠি দেওয়ার ঘটনায় ১৭ নাগরিক নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন।

অন্তর্বর্তী সরকার আমলে করা জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন বাতিলের পর বিএনপি সরকার এখন যে আইন করতে যাচ্ছে, তাতে কমিশনের স্বাধীনতা খর্ব হওয়া আশঙ্কা দেখছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

একটি শক্তিশালী মানবাধিকার কমিশন প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে রাজনৈতিক সরকারগুলো তো বটেই, অন্তর্বর্তী সরকারও তাদের সন্দেহাতীত অঙ্গীকার দেখাতে পারেনি।

অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশ বাতিল হওয়ায় জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্যরা পদত্যাগ করেছেন এবং খোলাচিঠি লিখেছেন। কমিশনের সচিব বলেছেন, এতে কমিশন স্বয়ংক্রিয়ভাবে শূন্য হয়েছে। বিদায়ী সদস্যরা ধোঁয়াশায় রয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

বাংলাদেশে ১৩তম সংসদের প্রথম অধিবেশনে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ উপস্থাপন করা হবে, যার মধ্যে রয়েছে ২০২৫ সালের জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (এনএইচআরসি) অধ্যাদেশ।

প্রস্তাবিত আইনে মানবাধিকার কমিশন সরকারের কর্তৃত্বাধীন হবে বলে টিআইবির উদ্বেগ।