
২০২৫ সালে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ১৩৩, মব সহিংসতা–গণপিটুনিতে নিহত ১৬৮
মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) বার্ষিক প্রতিবেদনে দেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা বৃদ্ধির তথ্য উঠে এসেছে।

মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) বার্ষিক প্রতিবেদনে দেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা বৃদ্ধির তথ্য উঠে এসেছে।

মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন তাদের মে মাসের প্রতিবেদনে জানিয়েছে মব সহিংসতায় ৩২ জন নিহত হয়েছে।

গত জুনে বাংলাদেশে রাজনৈতিক সহিংসতায় ৯ জন নিহত হয়েছেন।

জনপরিসরে বাড়ছে নারী হেনস্তা, প্রতিবাদেই ভুক্তভোগী পড়ছেন আরও চাপে।

মব নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে: টিআইবি

২০২৬ সালের প্রথম তিন মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় ৩৬ জন নিহত, মব হামলায় ৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এইচআরএসএস-এর প্রতিবেদনে নির্বাচনকেন্দ্রিক সহিংসতা, নারী-কন্যাশিশু নির্যাতন, সাংবাদিক হামলাসহ বিস্তারিত তথ্য উঠে এসেছে। সংখ্যালঘু নির্যাতন ও কারাগারে মৃত্যুর ঘটনাও উল্লেখ করা হয়েছে।

নারীর বিরুদ্ধে দেশে সহিংসতা, বিদ্বেষমূলক মন্তব্য, অনলাইনে হয়রানি ও নিরাপত্তাহীনতা গত বছর উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে গেছে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে ‘মব’ সহিংসতার একের পর এক ঘটনা আলোচনায় আসে। ‘মব’ সহিংসতার মাধ্যমে পিটিয়ে হত্যা করা, মাজার ভাঙা, বাউলগানসহ লোকজ অনুষ্ঠানে হামলা চালিয়ে পণ্ড করে দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ দেশে পুনরায় মব সন্ত্রাস, সহিংসতা ও প্রতিহিংসামূলক রাজনৈতিক সংস্কৃতির ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি মানুষের আস্থা কমছে বলে তারা মন্তব্য করেছে। সরকারের কাছে দোষীদের শাস্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।

মব জাস্টিস ও নারী হেনস্তা রোধে আইনের কঠোর প্রয়োগ চেয়েছে ব্রেইন।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মবকে বোঝার একটি কার্যকর উপায় হলো একে এক্সপ্রেশন অব পাওয়ার বা ক্ষমতার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা।

মাজার ও দরবার শরিফ হেফাজতে যত দ্রুত সম্ভব সরকার ও রাষ্ট্রকে সক্রিয় হতে হবে। গত দুই বছরে যত হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, সবগুলোর সুষ্ঠু বিচার করতে হবে, ভুক্তভোগীদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।