
মধ্যস্থতার চেষ্টায় কয়েকটি দেশ, জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাত মেটাতে কয়েকটি দেশ মধ্যস্থতা করছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাত মেটাতে কয়েকটি দেশ মধ্যস্থতা করছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সম্পর্কের বরফ গলার এ পরিস্থিতিতে পাকিস্তান বাণিজ্য, জ্বালানিসুবিধা ও আঞ্চলিকভাবে নিজের গুরুত্ব নতুন করে ফিরে পাওয়ার মতো একটি কৌশলগত সুযোগ হিসেবে দেখছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতা করতে তেহরানে গেছেন পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে, যার পেছনে পাকিস্তানের মধ্যস্থতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ইসলামাবাদের সঙ্গে দুই পক্ষের আস্থা, অর্থনৈতিক চাপ এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক এর মূল কারণ। তবে এই শান্তি এখনো নড়বড়ে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ সচল রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করছে পাকিস্তান।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় সংঘাত ৯টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তান সৌদি-ইরান সংঘাতে জড়িয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। ইসলামাবাদ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির পরই পাকিস্তানে ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান। এটি মধ্যস্থতার স্বীকৃতি ও রাজনৈতিক কৌশল।

শেষ মুহূর্তে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে পূর্বঘোষিত বড় হামলা দুই সপ্তাহ স্থগিত করেছেন। এতে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দামামা কিছুটা স্তিমিত হয়েছে। নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের সমঝোতায় ইউরেনিয়ামের মজুত ত্যাগের বিনিময়ে ইরান ২ হাজার কোটি ডলার ছাড় পেতে পারে। মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ বন্ধের আশা জাগছে এই আলোচনায়। পাকিস্তান, মিসর ও তুরস্ক মধ্যস্থতা করছে।

বিশ্বের সংকটময় এক সময়ে পাকিস্তান গুরুত্বপূর্ণ একটি যুদ্ধবিরতির মধ্যস্থতা করছে। জেডি ভ্যান্স গুরুত্বপূর্ণ অতিথি হয়েই এখন রয়েছেন ইসলামাবাদে। এই প্রথম নয়, অতীতেও নানা সময়ে পাকিস্তানের শরণ নিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।

পাকিস্তানের যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতিতে মধ্যস্থতা বিশ্বের নেতিবাচক মনোভাবকে ইতিবাচক করে দিয়েছে। ইপসোস জরিপে দেখা গেছে, ৯০% থেকে ৭০% এর বেশি ইতিবাচক মতামত। সবার নজর এখন ইসলামাবাদে স্থায়ী চুক্তির আলোচনায়।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি মেনে নিয়েছে, যার পিছনে পাকিস্তানের অবিরাম মধ্যস্থতা গুরুত্বপূর্ণ। ইসলামাবাদের কূটনৈতিক উদ্যোগ কীভাবে এই অগ্রগতি এনেছে, তা বিশ্লেষণ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। এটি পাকিস্তানের বড় কূটনৈতিক বিজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।