
ব্ল্যাকহোলের ইভেন্ট হরাইজন থেকে আসা রহস্যময় সংকেত শনাক্ত করেছেন বিজ্ঞানীরা
এমন একটি মহাকর্ষীয় তরঙ্গের সন্ধান পাওয়া গেছে, যেটি নতুন তৈরি হওয়া ব্ল্যাকহোলের চারপাশে থাকা অদৃশ্য সীমানা বা ইভেন্ট হরাইজন থেকে সংকেত বহন করে এনেছে।

এমন একটি মহাকর্ষীয় তরঙ্গের সন্ধান পাওয়া গেছে, যেটি নতুন তৈরি হওয়া ব্ল্যাকহোলের চারপাশে থাকা অদৃশ্য সীমানা বা ইভেন্ট হরাইজন থেকে সংকেত বহন করে এনেছে।

দীর্ঘদিন ধরেই ব্ল্যাকহোলের শেষ প্রান্তে কী থাকে, তা জানার চেষ্টা করছেন বিজ্ঞানীরা।

একটি সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাকহোল বা অতিভুজাকৃতি কৃষ্ণগহ্বরের জেগে ওঠার দৃশ্য ক্যামেরাবন্দী করেছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা।

বিজ্ঞানীরা দাবি করছেন, ডার্ক ম্যাটারের সাহায্যে মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির কেন্দ্রে ৩২ হাজার ৬০০ আলোকবর্ষ প্রশস্ত একটি ওয়ার্মহোল লুকিয়ে থাকতে পারে। এটি স্থান-কালের সুড়ঙ্গ হিসেবে কাজ করতে পারে। তবে অনেক বিজ্ঞানী এই তত্ত্ব নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।

মহাকাশবিজ্ঞানের ইতিহাসে সিগনাস এক্স-১ ব্ল্যাকহোলকে একটি মাইলফলক বলা হয়।

মিয়ামি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা এলআইজিওর তথ্য বিশ্লেষণ করে আদিম ব্ল্যাকহোলের প্রথম প্রত্যক্ষ প্রমাণ পেয়েছেন। এটি বিগ ব্যাং-এর পর সৃষ্ট এবং ডার্ক ম্যাটারের রহস্য উন্মোচনে সাহায্য করতে পারে। তবে চূড়ান্ত নিশ্চয়তার জন্য আরও সংকেত দরকার।