
বৈদেশিক ঋণ নাকি স্বনির্ভরতা: ইসলামের প্রস্তাব কী
রাষ্ট্র যখন বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্পের অজুহাতে বিদেশি সংস্থাগুলোর কাছ থেকে শর্তযুক্ত ঋণ নেয়, তখন প্রকারান্তরে পুরো জাতিই সেই ঋণের জালে বন্দি হয়ে পড়ে।

রাষ্ট্র যখন বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্পের অজুহাতে বিদেশি সংস্থাগুলোর কাছ থেকে শর্তযুক্ত ঋণ নেয়, তখন প্রকারান্তরে পুরো জাতিই সেই ঋণের জালে বন্দি হয়ে পড়ে।

আগামী পাঁচ বছরে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ বাংলাদেশের ওপরে এক বিরাট অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করবে। এই সংবাদ শঙ্কার।

বড় স্বপ্ন, বিশাল বাজেট, বিপুল ছাড়

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক নুর জানিয়েছেন, বিদেশগামী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় ১০ লাখ টাকা ঋণ দেবে সরকার।

পুরোনো সংকট কাটেনি, সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ। মূল্যস্ফীতি, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, খেলাপি ঋণ ও জ্বালানিঝুঁকির মধ্যে নতুন সরকার কোন অগ্রাধিকার আগে দেবে, সেই প্রশ্নই এখন বড়।

আওয়ামী লীগ সরকারের মতোই অনেকটা বেপরোয়া বিদেশি ঋণে ঝুঁকেছিল অন্তর্বর্তী সরকার। রাজস্ব–ঘাটতির কারণে বাজেট সহায়তা এবং বড় প্রকল্পে অর্থছাড় বাড়ানোয় বিদেশি ঋণের মাত্রাও বেড়ে গিয়েছিল। ২০২৪-২৫ অর্থবছর শেষে বাংলাদেশের সরকারি খাতে বৈদেশিক ঋণের দায় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৭ বিলিয়ন ডলারে।