
বেক্সিমকো আবার লেনদেন ও মূল্যবৃদ্ধির শীর্ষে
৯ জুন কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়া হয়। এরপর ৭৪ শতাংশ দর হারায় কোম্পানিটি। সেখান থেকে আজ রোববার আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে বেক্সিমকোর শেয়ার।

৯ জুন কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়া হয়। এরপর ৭৪ শতাংশ দর হারায় কোম্পানিটি। সেখান থেকে আজ রোববার আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে বেক্সিমকোর শেয়ার।

প্রায় দেড় বছর পর গতকাল কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত হয় বিএসইসির সম্মতিতে। সেই সভায় গত অর্থবছরের পাশাপাশি বেশ কয়েকটি প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন করা হয়।

প্রায় চার বছর পর এসে শেয়ারবাজার পুরোপুরি ফ্লোর প্রাইসমুক্ত হতে যাচ্ছে। ২০২২ সালের ২৮ জুলাই পতন ঠেকাতে শেয়ারের দামের সর্বনিম্ন সীমা বা ফ্লোর প্রাইস আরোপ করা হয়েছিল।

যখন কোনো দেশের ব্যাংকিং খাত রক্তাক্ত হয়, নীতিনির্ধারকদের প্রথম প্রবণতা হয় কারিগরি সমাধানের দিকে হাত বাড়ানো—কঠোর মূলধন পর্যাপ্ততার বিধি, ঋণ শ্রেণীকরণের কড়া মানদণ্ড, নতুন প্রভিশনিং প্রয়োজনীয়তা।

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ১১টি গ্রুপ নিয়ে তদন্ত শুরু। ৬টির ‘পাচার করা’ টাকা খুঁজতে চুক্তি করেছে ১০ ব্যাংক।

পর্যবেক্ষক নিয়োগ দেওয়া ব্যাংক চারটি হলো ন্যাশনাল ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক ও আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক।

প্রথম ধাপে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, বিতর্কিত ব্যবসায়ী এস আলম এবং শিল্প গ্রুপ বেক্সিমকো, সিকদার, নাসা ও ওরিয়ন–সংশ্লিষ্ট ছয়টি মামলায় এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন।

ঋণের নামে জনতা ব্যাংক থেকে ১৩৬ কোটি ৬৭ লাখ ৫৮ হাজার ৯৩১ টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমানসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক।