
ইসলামের সূচনায় খাদিজা (রা.)–এর ভূমিকা
খ্রিষ্টধর্মাবলম্বী ও ধর্মগ্রন্থে পারদর্শী ওয়ারাকা পুরো ঘটনা শুনে নিশ্চিত করেন, এ সেই ফেরেশতা, যিনি মুসা (আ.)–এর কাছে ওহি নিয়ে এসেছিলেন।
১৪ জানুয়ারি, ২০২৬ এ ৪:৩০ অপরাহ্ণ

খ্রিষ্টধর্মাবলম্বী ও ধর্মগ্রন্থে পারদর্শী ওয়ারাকা পুরো ঘটনা শুনে নিশ্চিত করেন, এ সেই ফেরেশতা, যিনি মুসা (আ.)–এর কাছে ওহি নিয়ে এসেছিলেন।

মক্কার বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে এই বিবাহ সম্পন্ন হয়। আবু তালিব যে খুতবা পাঠ করেন, তা জাহেলি যুগের আরবি গদ্যসাহিত্যে বিশেষ মর্যাদা লাভ করে।

আবু তালিবের মৃত্যুর কিছুকাল পরে এই দিনে খাদিজা (রা.)-এর বিদায় নবীজির জীবনে বিশাল শূন্যতা তৈরি করে, যা ইতিহাসে শোকের বছর হিসেবে পরিচিত।

খাদিজার চেয়ে উত্তম কাউকে আল্লাহ দান করেননি। মানুষ যখন আমাকে প্রত্যাখ্যান করেছিল, তখন খাদিজা সত্য বলে গ্রহণ করেছিলেন, সবাই যখন শত্রু ছিল, তিনিই ছিলেন আশ্রয়।

বলা হয়, “দুনিয়ার জন্য এমনভাবে কাজ করো যেন তুমি চিরকাল বাঁচবে, আর আখেরাতের জন্য এমনভাবে কাজ করো যেন তুমি আগামীকালই মারা যাবে।”