
বিদেশি ঋণ বেড়ে ১১৩ বিলিয়ন ডলার
বিদেশি ঋণ গত বছরের জুনের চেয়ে সেপ্টেম্বরে কমেছে। তবে সেপ্টেম্বরের চেয়ে ডিসেম্বরে বেড়েছে।

বিদেশি ঋণ গত বছরের জুনের চেয়ে সেপ্টেম্বরে কমেছে। তবে সেপ্টেম্বরের চেয়ে ডিসেম্বরে বেড়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিদেশি ঋণনির্ভর মেগা প্রকল্পের বদলে জনগুরুত্বপূর্ণ ছোট প্রকল্প নেওয়ার কথা বললেও বাস্তবে আগের মতোই বিদেশি ঋণনির্ভর মেগা প্রকল্প গ্রহণ অব্যাহত আছে।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে (জুলাই-মার্চ) ৩৫২ কোটি ডলার ঋণ শোধ করতে হয়েছে।

গত ছয় মাসে বড় বড় বন্ধুপ্রতিম দেশ কোনো ঋণের প্রতিশ্রুতি দেয়নি। এ তালিকায় আছে ভারত, চীন, রাশিয়া ও জাপান।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) প্রতিবেদন অনুসারে, গত অর্থবছরে ৪০৯ কোটি ডলার শোধ করেছিল বাংলাদেশ।

আজ রোববার অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) জুলাই–এপ্রিলের বিদেশি ঋণ পরিস্থিতির হালনাগাদ প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ওই সময়ে বিদেশি ঋণ ও অনুদান মিলিয়ে এসেছে ৪২৩ কোটি ৬২ লাখ ডলার।

জুলাই–জানুয়ারি মাসে বিদেশি ঋণ ও অনুদান এসেছে ২৬৪ কোটি ১৬ লাখ ডলার। বিভিন্ন দাতাসংস্থা ও দেশকে ২৬৭ কোটি ৬৮ লাখ ডলার পরিশোধ করতে হয়েছে।

আইডিবির ঋণে ইআরএল প্রকল্প বাস্তবায়নের চেষ্টা, শর্ত না মিললে বিকল্প উৎস খুঁজবে সরকার। সে ক্ষেত্রে আগ্রহ আছে চীনের এআইআইবির।

চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) ৩০৫ কোটি ৩০ লাখ ডলার বিদেশি ঋণ ও অনুদান এসেছে, প্রায় ২৯০ কোটি ডলার শোধ হয়েছে। ইআরডির প্রতিবেদনে এ তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। রাশিয়া সবচেয়ে বেশি ঋণ দিয়েছে এই সময়ে।

ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে ‘ইমার্জেন্সি সাপোর্ট লোন ফর এনহ্যান্সিং ইকোনমিক রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড স্টেবল এনার্জি সাপ্লাই’ শীর্ষক এ ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এর ফলে বহুজাতিক ও দেশীয় বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণপ্রাপ্তি সহজ হবে।

রাষ্ট্র যখন বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্পের অজুহাতে বিদেশি সংস্থাগুলোর কাছ থেকে শর্তযুক্ত ঋণ নেয়, তখন প্রকারান্তরে পুরো জাতিই সেই ঋণের জালে বন্দি হয়ে পড়ে।