
বিক্ষোভ চালিয়ে যান, প্রতিষ্ঠানের দখল নেন: ইরানের বিক্ষোভকারীদের ট্রাম্প
বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ‘সাহায্য আসছে।’

বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ‘সাহায্য আসছে।’

নিষেধাজ্ঞা কবলিত দেশটিতে অর্থনৈতিক দুর্দশাকে কেন্দ্র করে গত ডিসেম্বরে প্রথম বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল।

ইরানে গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে বিক্ষোভ চলছে।

গত ১২ দিনে ইরানের ৩১টি প্রদেশের মধ্যে ২৫টির ৩৪৮টি স্থানে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার খবর জানা গেছে।

৮১ বছর বয়সী এই ব্যবসায়ী ও তাঁর পরিবার জনপ্রিয় একটি ক্যাফে ও খাবারের ব্র্যান্ড পরিচালনা করতেন

ইরানজুড়ে চলা বিক্ষোভের সময় গ্রেপ্তার হওয়া ‘দাঙ্গাবাজদের’ কঠোর শাস্তির প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন ইরানি কর্মকর্তারা।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বলেছেন, দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে ‘কয়েক হাজার’ মানুষের মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতির জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে জড়িত অপশক্তি দায়ী।

বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদণ্ড দেবে না তেহরান

সিবিএস ইভনিং নিউজের উপস্থাপক ট্রাম্পের কাছে ইরানে বুধবার থেকে শুরু হতে যাওয়া কথিত ফাঁসি কার্যকর হওয়ার বিষয়ে জানতে চেয়েছিলেন। জবাবে তিনি ওই মন্তব্য করেন।

সারা দেশে দ্রুত ইন্টারনেট চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।

তেহরানে মাত্র ছয়টি হাসপাতালে অন্তত ২১৭ বিক্ষোভকারীর মৃত্যু রেকর্ড করা হয়েছে বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের নেতৃত্বকে নতুন করে হুমকি দেওয়ার পর দেশটির সেনাবাহিনী জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে।