
ট্রাম্পের পাল্টা শুল্কের ভার ভোক্তা ও কোম্পানিগুলোকেই বহন করতে হচ্ছে: নিউইয়র্ক ফেড
মেক্সিকো, চীন, কানাডা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের পণ্যে আরোপিত বাড়তি শুল্কের প্রায় ৯০ শতাংশই বহন করেছে মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলো।

মেক্সিকো, চীন, কানাডা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের পণ্যে আরোপিত বাড়তি শুল্কের প্রায় ৯০ শতাংশই বহন করেছে মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলো।

বাংলাদেশের ওপর আরোপিত ২০ শতাংশ পাল্টা শুল্ক নিয়ে সমঝোতা হিসেবে ৯ ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটনে এই চুক্তি হবে। চুক্তি হচ্ছে জাপানের সঙ্গেও।

দেশের ১৩টি বামপন্থী দলের সমন্বয়ে সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোট গঠন করেছে। তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্রেড (এআরটি)’ বাতিলের দাবি জানিয়েছে। এই চুক্তিকে তারা অসম ও জাতীয় স্বার্থবিরোধী বলে অভিহিত করেছে।

রাজনীতি, যুদ্ধ, বাণিজ্যসংঘাত আর আকাশছোঁয়া দামে টিকিট বিক্রি চলতি ২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের অর্থনীতিকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করছে। এতে সমর্থকদের ভবিষ্যৎ ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

ইইউ চলতি বছরের জানুয়ারিতে বিভিন্ন দেশ থেকে ৭০৩ কোটি ইউরোর পোশাক আমদানি করেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় সাড়ে ১৫ শতাংশ কম।

ট্রাম্প প্রশাসনের উচ্চ শুল্কের কারণে চীন সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে ধারণা করা হয়েছিল।

সাত সদস্যের এই মন্ত্রিসভা কমিটির প্রধান করা হয়েছে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে।

গত সপ্তাহে ইইউর পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক প্রধান কাজা কালাসকে চুক্তি স্থগিত করার একটি যৌথ চিঠি দিয়েছে স্পেনসহ তিন দেশ।

জ্বালানি তেল নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। ডলারের দাম বাড়ছে। আমদানিতে নতুন করে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

যুদ্ধ বা বাণিজ্য, সব জায়গায় একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠাই যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম লক্ষ্য। বিশ্বের বাণিজ্যকে নিয়ন্ত্রণ করা

ঢাকা চেম্বার বলছে, বাংলাদেশের অর্থনীতি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে। বিশ্ববাজারে তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকলে দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

ইরান যুদ্ধ শুরুর পর জ্বালানি সরবরাহে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল, তা এখনো পুরোপুরি কাটেনি। তবে পরিস্থিতি সামাল দিতে ধারাবাহিকভাবে তেলবাহী জাহাজ আসছে দেশে। চলতি এপ্রিল মাসের ২০ দিনে এখন পর্যন্ত ডিজেল, অকটেন, জেট ফুয়েল ও ফার্নেস তেল নিয়ে ১২টি জাহাজ এসেছে। এতে মজুত কিছুটা বেড়েছে।