
দুই জেলায় পরাজিত ও জয়ী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ১৩
কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে (নিকলী এবং বাজিতপুর উপজেলা) বিজয়ী প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান ও পরাজিত প্রার্থী সৈয়দ এহসানুল হুদার সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে (নিকলী এবং বাজিতপুর উপজেলা) বিজয়ী প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান ও পরাজিত প্রার্থী সৈয়দ এহসানুল হুদার সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ–৫ (বাজিতপুর ও নিকলী) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসনাত কাইয়ূম সুস্থ রাজনীতির বার্তা দিয়ে স্থানীয় লোকজনের কাছে ভোট প্রার্থনা করছেন। তাঁকে ভোট দিলে তিনি ‘অসুস্থ’ দেশটাকে ‘সুস্থ’ করে তুলবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।

কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর-নিকলী) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমানের পক্ষে প্রচারে অংশ নেওয়ায় দুই উপজেলার ১৭ জন নেতাকে দলটি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ-৫ (নিকলী-বাজিতপুর) বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন বাবার প্রতিষ্ঠিত দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগদান করা সৈয়দ এহসানুল হুদা। দলীয় মনোনয়নবঞ্চিত হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া শেখ মজিবুর রহমান ও হাসনাত কাইয়ুম প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ায় মাঠে উত্তাপ ছড়াচ্ছে।

২৬ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছ থেকে একুশে পদক গ্রহণ করেন ইসলাম উদ্দিন পালাকার।

একটি আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সৈয়দ এহসানুল হুদাকে হারিয়ে দিয়েছেন বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান। স্বতন্ত্র পরিচয়ে তিনি হাঁস প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেছেন।

রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ূম জানান, এই ভাসান পানির আন্দোলনই তাঁকে শিখিয়েছে, লাঠির জোরে কিছুদিন অধিকার আদায় করা গেলেও স্থায়ী করতে গেলে আইন বদলাতে হয়।

বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির বলেন, ‘বহিষ্কার করে আমাদের বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না।’

কিশোরগঞ্জ-৫ (নিকলী ও বাজিতপুর) আসনে বিএনপির অভ্যন্তরীণ বিভক্তি নির্বাচনী হিসাব-নিকাশ জটিল করে তুলেছে। বিএনপির সাধারণ নেতা-কর্মীরা কেউ দলীয় প্রার্থী, আবার কেউ বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছেন।

কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর-নিকলী) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমানের পক্ষে প্রচারণায় অংশ নেওয়ায় দুই উপজেলার আরও ১৩ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে।