
বটগাছের মগডালে বসে ছিলেন যুবক, উদ্ধার করল ফায়ার সার্ভিস
বটগাছের মগডালে বসে ছিলেন এক যুবক, নিচে নামছিলেন না। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আধা ঘণ্টার চেষ্টায় তাঁকে উদ্ধার করেন।

বটগাছের মগডালে বসে ছিলেন এক যুবক, নিচে নামছিলেন না। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আধা ঘণ্টার চেষ্টায় তাঁকে উদ্ধার করেন।

শেরপুর সদর উপজেলার একটি ঈদগাহ মাঠের প্রাচীন বটগাছ কাটার উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত বন্ধ করা হয়েছে জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে।

এলাকার মানুষ এখন এই বটগাছের জন্য গর্ববোধ করে। বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ প্রতিদিন গাছটি দেখতে আসে। গাছটিই যেন এখন গ্রামবাসীর পরিচয় হয়ে উঠেছে।

কবির চতুর্দশপদী ‘বটবৃক্ষ’ কবিতায় লেখা স্মৃতিময় বটগাছটি ভেঙে পড়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মন ভারী হয়ে উঠেছে।

‘তোমাকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা। তোমাকে মিস করি। তুমি আমাদের জীবনে, আমার জীবনে বটগাছ হয়ে সব সময় থাকো।’

কয়রা নদীর তীরের শ্মশানঘাটে তখন শেষকৃত্যের আয়োজন চলছে। পাশে পুরোনো বটগাছের ছায়ায় বসে আছেন স্বজনেরা। কারও চোখে অশ্রু, কারও মুখে নিস্তব্ধতা। আকস্মিক মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না কেউই।

সন্ধ্যার দিকে হাসান খাঁ ক্ষুধার্ত হয়ে পড়লে খাবারের লোভে ধীরে ধীরে নিচের ডালে আসতে শুরু করেন। একপর্যায়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা তাঁকে ধরে ফেলেন।

লোকমুখে প্রচার আছে, কাজী নজরুল ইসলাম মাঝেমধ্যে স্কুল ফাঁকি দিয়ে বটগাছের নিচে বসে বাঁশি বাজাতেন। যে বটগাছের নিচে বসে তিনি বাঁশি বাজাতেন, সেটি এখন ‘নজরুল বটবৃক্ষ’ নামে পরিচিত। কবি নেই, কিন্তু বটগাছটি আজও আছে।

ঝিনাইদহের শতবর্ষী বটগাছে রেস্তোরাঁ তৈরিতে পাখির কিচিরমিচির হারিয়ে গেছে মানুষের কোলাহলে। উদ্যোক্তারা বলছেন পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে না, কিন্তু পরিবেশবাদীরা এটিকে গাছের হত্যাকাণ্ড বলছেন। কর্তৃপক্ষ বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন।

যশোরের কেশবপুরের কপোতাক্ষ নদের পাড়ে ঝড়ে উপড়ে পড়া মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের স্মৃতিবিজড়িত বটগাছটি দেখতে মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন। অনেকে বেদনাহত, অনেকে অশ্রুসজল।

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে একটি বাজারের সরকারি বটগাছের ডাল কেটে প্রায় ৬০ হাজার টাকার কাঠ ও খড়ি বিক্রির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপি ও ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে।