
বই পড়ার হারানো অভ্যাসে ফিরবেন কীভাবে
অনেক দিন পর বই নিয়ে বসলে পড়া এগোচ্ছে না, পড়তে ইচ্ছা করছে না। এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণের উপায় কী, কীভাবে ফিরবেন বই পড়ার অভ্যাসে?

অনেক দিন পর বই নিয়ে বসলে পড়া এগোচ্ছে না, পড়তে ইচ্ছা করছে না। এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণের উপায় কী, কীভাবে ফিরবেন বই পড়ার অভ্যাসে?

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় বাবুডাইং আলোর পাঠশালায় ২২ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার দুপুরে বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের বই পড়া কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। এসময় ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পড়ার জন্য একটি করে বই তুলে দেওয়া হয়। এছাড়া শিক্ষার্থীদের বই পড়ার জন্য কার্ডও দেওয়া হয়।

বইপ্রেমীরা নিজেদের পড়া একটি বই জমা দিয়ে অরেকটি বই সংগ্রহ করার সুযোগ পেয়েছেন।

আলী যাকেরের স্মৃতিতে ‘আলী যাকের মুক্তিযুদ্ধের গ্রন্থপাঠ উদ্যোগ’-এর পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে স্কুল-কলেজের সেরা ২০ শিক্ষার্থী এবং ২০টি পাঠাগার সম্মানিত হয়েছে। আগারগাঁওয়ে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে মামুনুর রশীদ, সারা যাকেরসহ বক্তারা শিক্ষা ও বইপাঠের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

দেশে নির্বাচনী হাওয়া বইছে। তাই রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে বেড়েছে অনেক মানুষের আগ্রহ। তাঁদেরই একজন চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইয়াসির আরাফাত। রাজনীতি নিয়ে আগ্রহ থেকেই এ–বিষয়ক নানা ধরনের বই পড়া শুরু করেছেন তিনি।

বই পড়ার আগ্রহ বাড়াতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে বুকার প্রাইজ ফাউন্ডেশন। এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে তারা অল অ্যারাউন্ড দ্য ওয়ার্ল্ড নামে একটি ছোটগল্প সংকলন প্রকাশ করছে, যার দাম রাখা হয়েছে মাত্র এক পাউন্ড। বইটিতে বুকার পুরস্কারজয়ী লেখক অ্যান এনরাইট ও ডেভিড স্যালের পাশাপাশি বুকার মনোনীত লেখক নাদিফা মোহাম্মদের গল্প জায়গা পেয়েছে। সংকলনটি সম্পাদনা করেছেন বুকারজয়ী লেখক রডি ডয়েল।

পুরস্কার হিসেবে সেরা ২০ জনের প্রত্যেককে ৩ হাজার টাকার বই, ৩ হাজার টাকার প্রাইজবন্ড এবং সার্টিফিকেট দেওয়া হয়।

গরমের ছুটি মানেই আরাম করে বই পড়ার সময়। এমন কিছু গল্প, যেগুলো বই শেষ হওয়ার পরও মাথায় রেশ থেকে যাবে। সেই ভাবনা থেকে এ গ্রীষ্মের কিছু সেরা নতুন বই বেছে নিয়েছেন সমালোচকেরা। তালিকায় আছে রাজনৈতিক ব্যঙ্গ, পারিবারিক গল্প, জলবায়ু সংকট নিয়ে উপন্যাস ও থ্রিলার।

খুব ভালো। আনোয়ার হোসেন যেমন সিরাজউদ্দৌলার মুকুটহীন সম্রাট, আমি মুকুটহীন মিম সম্রাট। আর মিম সম্রাজ্ঞী হতে পারে মিম…বিদ্যা সিনহা মিম!

সৌরভের কল্যাণে দুই-একটা বাংলা শব্দ শিখেছেন। তাই বলে বাংলায় একটা আস্ত বই পড়ে ফেলতে পারার প্রশ্নই ওঠে না। আমার বই পড়ার জন্য অনুবাদক ভাড়া করেছেন বা করবেন বলেও মনে হয় না। এমন কিছু হয়েছে শুনলে আমি নিজেই অজ্ঞান হয়ে যাব। যতটা না আনন্দে, তার চেয়ে বেশি বিস্ময়ে। আমরা তাই ধরে নিতে পারি, আমার লেখা 'শচীন রূপকথা' বইটি শচীন টেন্ডুলকার পড়েননি। তবে না পড়লেও বইটা যে শচীন টেন্ডুলকারের কাছে আছে, এটা আমি...

কাবিননামায় দেনমোহরের জায়গায় ১০১টি বই লিখতে অপারগতা জানিয়েছিলেন কাজি। পরে বইয়ের সংখ্যা উল্লেখ করে মূল্য বাবদ একটি অর্থ ধরা হয়।

কত বই পড়ার সুযোগ হয়েছে। কত পাঠকের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। পড়ুয়া কত কত মানুষের যে সান্নিধ্য পেয়েছি, তার কি শেষ আছে?