
ব্যাংকের ভেতর গোল দিচ্ছেন গ্রাহকেরা, কুইজে জিতে পাচ্ছেন ফুটবল–বাঁশি
ভৈরবে এনআরবিসি ব্যাংকের শাখায় বিশ্বকাপের আমেজে গোলপোস্ট, কুইজ, জার্সি ও ব্যতিক্রমী আপ্যায়নে লেনদেন করেছেন গ্রাহকেরা। ফুটবল উৎসবে মুখর ছিল পুরো ব্যাংক।

ভৈরবে এনআরবিসি ব্যাংকের শাখায় বিশ্বকাপের আমেজে গোলপোস্ট, কুইজ, জার্সি ও ব্যতিক্রমী আপ্যায়নে লেনদেন করেছেন গ্রাহকেরা। ফুটবল উৎসবে মুখর ছিল পুরো ব্যাংক।

২০২২ সালের বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে নিয়ে বাংলাদেশিদের উন্মাদনা বিশ্ববাসীর নজর কেড়েছিল। এর সূত্র ধরেই ৪৫ বছর পর ২০২৩ সালে ঢাকায় পুনরায় দূতাবাস চালু করে বুয়েনস এইরেস।

ফুটবল দুনিয়ার সবচেয়ে বড় এবং মর্যাদাপূর্ণ আসর ফিফা বিশ্বকাপ।

১৯৯৪ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ। জুলাই মাসের এক ভোর। টাইব্রেকারের শেষ শটটি জালে জড়াতেই হৃদপুর বন্দরের রাস্তায় নেমেছিল ব্রাজিল ফুটবল উৎসব। মিছিলটা বেরিয়েছিল তৈবরদার বাড়ির সামনে থেকে। সামনে তবারক কাকু। পরনে ক্যানারি হলুদ জার্সি। হাঁটু পর্যন্ত হাফপ্যান্ট। পায়ে ফুটবল বুট। দুই হাতে বুকের কাছে আগলে রাখা একটি ফুটবল। দেখে মনে হচ্ছিল, বিশ্বকাপটা রোমারিও নয়, তিনিই জিতে ফিরেছেন।

একটু আগে বিদায়ের ক্ষণ গুনতে থাকা বেলজিয়াম যেখানে উৎসবের তীব্র উল্লাসে ফেটে পড়েছে, সেখানে সেনেগাল শিবিরে কান্নার রোল। ফুটবল এমনই!

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় ফুটবলের গোলপোস্ট ভেঙে আহত এক শিশুর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। গত শুক্রবার দুপুরে বাড়ির পশ্চিমে একটি টার্ফের গোলপোস্টে ঝুলে ভেঙে পড়ে আহত হয়েছিল সে।

এবার ফিফা বিশ্বকাপ উপলক্ষে কানাডার ভ্যাঙ্কুভার শহরে দেখা মিলছে ১৭ তলা বাড়ির সমান উঁচু এক দানবীয় ফুটবলের।

বিশ্বকাপ ফুটবলের মতো বড় মঞ্চে কোচের ভূমিকা এখন ‘সিইও’-র মতো। পেপ গার্দিওলা বা কার্লো আনচেলত্তির মতো শীর্ষ কোচদের বার্ষিক বেতন ১৫-২৫ মিলিয়ন ইউরো (প্রায় ২০০-৩০০ কোটি টাকা) পর্যন্ত।

মঞ্জুর চৌধুরী আমেরিকা থেকে লিখেছেন। তিনি ব্রাজিলীয়দের সঙ্গে বসে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন।

আক্রমণে যদি গতি না থাকে, তবে কি আর প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ কাঁপানো যায়? কাল রাতে জাপানের বিপক্ষে বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশের লড়াইয়ে আক্রমণভাগে ঠিক তেমনই এক গতির ঝড় তুলেছিলেন ব্রাজিলের ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।

বিশ্বমঞ্চে মরক্কোর খেলোয়াড়দের গ্যালারিতে ছুটে যাওয়া এবং মায়েদের জড়িয়ে ধরে অশ্রুসিক্ত উদ্যাপনের দৃশ্যগুলো আজ পুরো ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর ও আলোচিত গল্প।

ফুটবলের আসরে এর আগে কখনোই মা ও ছেলে দুজনকে খেলতে দেখা যায়নি। অসম্ভবকে সম্ভব করে ফুটবল ইতিহাসে নতুন অধ্যায় লিখেছেন বাইন্ডন মা ও ছেলে।