
মহররমের আমল ও ফজিলত
মহররম শব্দের অর্থ ‘সম্মানিত’। ইসলামি চান্দ্রবর্ষের প্রথম মাস হলো মহররম।

মহররম শব্দের অর্থ ‘সম্মানিত’। ইসলামি চান্দ্রবর্ষের প্রথম মাস হলো মহররম।

‘মদিনা মুনাওয়ারা’ হলো প্রিয় নবীজি (সা.)-এর প্রিয় শহর; শান্তির নগর। মদিনার পূর্ব নাম ইয়াসরিব। নবীজি (সা.)-এর হিজরতের পর এই স্থানের নাম হয় মদিনাতুন্নবী বা নবীর শহর।

কোরবানি শব্দের অর্থ নৈকট্য লাভ করা, ত্যাগ ও তিতিক্ষা প্রদর্শন করা। অর্থাৎ আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে ত্যাগের মাধ্যমে তাঁর নৈকট্য অর্জনই হলো কোরবানি।

জিলহজ মাস হজের প্রধান মাস, যার ৮ থেকে ১২ তারিখে হজের মূল কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। এই মাসে রোজা, তাকবির, কোরবানি ও বিভিন্ন ইবাদতের বিশেষ ফজিলত রয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর হাদিসের আলোকে এর আমলগুলো জানুন।

পবিত্র মক্কা মুকাররমার হারাম শরিফের কেন্দ্রস্থল কাবা শরিফসহ হাতিম, হাজরে আসওয়াদ, জমজম কূপ, সাফা-মারওয়া, আরাফাত, মিনা ও জামারাতসহ ফজিলতপূর্ণ স্থানগুলোর বিবরণ। এসব স্থান হজের গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং ইসলামি ঐতিহ্যের স্মৃতিচিহ্ন। ইসলামি বর্ণনা অনুসারে এগুলোর ফজিলত ও তাৎপর্য তুলে ধরা হয়েছে।

শাওয়াল হলো আরবি চান্দ্রবর্ষের দশম মাস। এটি হজের তিন মাসের (শাওয়াল, জিলকদ, জিলহজ) প্রথম মাস।

সাহ্রি শব্দের অর্থ শেষরাতের খাবার। রোজা ও রমজানের অতি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ সাহ্রি।

ইফতার অর্থ উপবাস ভঞ্জন। ভোর থেকে সারা দিন ‘সাওম’ পালন শেষে রোজাদার সূর্যাস্তের পর প্রথম যে পানাহারের মাধ্যমে উপবাস ভঞ্জন করেন, তাকে ‘ইফতার’ বলা হয়।

সিয়াম সাধনার মাস রমজান; তাকওয়ার মাস রমজান। সিয়াম হলো ‘সওম’–এর বহুবচন।

মূলত আল্লাহ তাআলা প্রতিটি নেক আমলের সওয়াব ১০ গুণ বাড়িয়ে দেন। সেই হিসেবে তিনটি রোজার সওয়াব ৩০টি রোজার সমান হয়ে যায়।

আশুরার একটি বিশেষ আমল হলো রোজা পালন করা। রাসুল (সা.) এ আমলের প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন এবং এর গুরুত্বপূর্ণ ফজিলতের কথা বর্ণনা করেছেন।

নামাজ মানুষের জীবন সুন্দর ও আলোকিত করে। নামাজ সফল মুমিনের প্রধান গুণ। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই সফলতা লাভ করেছে মুমিনগণ, যারা নামাজে আন্তরিকভাবে বিনীত।’