
প্রবৃদ্ধি ফেরাতে চাই কার্যকর সংস্কার ও বাজেট বাস্তবায়ন
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধির গতি অনেক দিন ধরেই মন্থর অবস্থায় রয়েছে। নতুন অর্থবছরে সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা হলো অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড যেন আবার গতিশীল হয়ে ওঠে।

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধির গতি অনেক দিন ধরেই মন্থর অবস্থায় রয়েছে। নতুন অর্থবছরে সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা হলো অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড যেন আবার গতিশীল হয়ে ওঠে।

বিদায়ী অর্থবছরে বন্দর দিয়ে ১৩ কোটি ৮০ লাখ টন পণ্য পরিবহন হয়েছে, যা ২০২৪–২৫ অর্থবছরের তুলনায় ৫ দশমিক ৫২ শতাংশ বেশি।

এক বছরের ব্যবধানে সরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকে আমানতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে সোয়া ১৩%। বেসরকারি খাতের ব্যাংকের এই হার ছিল সাড়ে ১২ শতাংশ।

আজ জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই তথ্য জানান।

বর্তমানে অনিয়ন্ত্রিত মূল্যস্ফীতির কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় নাভিশ্বাস ওঠার দশা হয়েছে।

আজ গতকাল মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে মুক্তকণ্ঠ কার্যালয়ে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে হোসেন জিল্লুর রহমান এ কথা বলেন।

১১ মে মুক্তকণ্ঠয় আমার কলাম, ‘বিএনপি কি একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি হাতে পেয়েছে’ ছাপা হয়েছিল।

ব্র্যাক ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড গ্রাহকসংখ্যা তিন লাখ ছাড়িয়েছে এবং লেনদেন প্রতি বছর আশাব্যঞ্জক হারে বাড়ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিদ্ধান্তে অনিরাপদ ঋণসীমা ২০ লাখ টাকায় উন্নীত হয়েছে। নতুন প্রযুক্তি ও সেবা দিয়ে ডিজিটাল পেমেন্টকে আরও গতিশীল করা হচ্ছে।

এডিবি বলছে, বাংলাদেশের আর্থিক ব্যবস্থায় ব্যাংক খাত প্রধান হলেও দীর্ঘদিনের দুর্বল শাসনব্যবস্থা, অপর্যাপ্ত তদারকি ও মূলধনের ঘাটতি এ খাতে সেবা দিতে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

যদি যুদ্ধ আরও দীর্ঘায়িত হয় এবং আরও অনেক দেশ এতে জড়িয়ে পড়ে, তাহলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার আরও কমতে পারে।

মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে বাংলাদেশসহ এশিয়ার দেশগুলো ভুগছে। জ্বালানিসংকট প্রকট হচ্ছে। এসব কারণে প্রবৃদ্ধি কমে যেতে পার বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক ও এডিবির মতো সংস্থাগুলো।

এডিবি চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪ শতাংশ এবং মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে। রাজনৈতিক অস্থিরতা ও বৈশ্বিক সংকটের কারণে প্রবৃদ্ধির হার কমেছে। পরের বছরে এটি ৪.৭ শতাংশে উন্নীত হতে পারে।