
পেঁয়াজ বিক্রি করেও উঠছে না খরচ, কোরবানি অনিশ্চিত কৃষকের
প্রতিবছরের মতো এবারও কোরবানির ঈদ সামনে রেখে ঘরে পেঁয়াজ তুলে রেখেছিলেন পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার ঘুঘুদহ গ্রামের কৃষক দেলোয়ার হোসেন।

প্রতিবছরের মতো এবারও কোরবানির ঈদ সামনে রেখে ঘরে পেঁয়াজ তুলে রেখেছিলেন পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার ঘুঘুদহ গ্রামের কৃষক দেলোয়ার হোসেন।

বাজারে দেশি ও আমদানি করা—দুই ধরনের নাজিরশাইল চাল বিক্রি হয়। এর মধ্যে আমদানি করা নাজির চালের দাম কেজিতে প্রায় ৫ টাকা কমেছে।

পেঁয়াজ কাটতে বসলে চোখে পানি আসে, এটা আমরা সবাই জানি। কিন্তু ঠিক কেন আসে, আর এর সমাধানই–বা কী, সে বিষয়ে বিজ্ঞানীরা এবার জানালেন নতুন তথ্য।

এবার মেট গালা ২০২৬-এর থিম ছিল ‘কস্টিউম আর্ট’। পাশাপাশি রেড কার্পেটের ড্রেস কোড ছিল ‘ফ্যাশন অব আর্ট’।

পেঁয়াজের ভান্ডার হিসেবে পরিচিত সাঁথিয়া উপজেলার বিভিন্ন হাটে গত মঙ্গলবার প্রতি মণ মুড়িকাটা পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকায়।

পেঁয়াজ কুচি করে নিন। এর সঙ্গে আদাবাটা, মরিচগুঁড়া, কাঁচা মরিচকুচি, ধনেপাতাকুচি, জিরাগুঁড়া, লবণ পরিমাণমতো ও বেসন মেশান।

কৃষকেরা জানান, মৌসুমের শুরুতে পুরোনো পেঁয়াজের সরবরাহ কমে যায় এবং আগাম পেঁয়াজের চাহিদা বেশি থাকে। ফলে মুড়িকাটা পেঁয়াজ তুলনামূলক বেশি দামে বিক্রি হয়। এ কারণে অনেক কৃষক মৌসুমের শুরুতে এ পেঁয়াজ চাষ করেন, তবে তা পরিমাণে কম।

বর্তমানে প্রতি মণ পেঁয়াজ ৮০০ থেকে ৯০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অথচ উৎপাদন খরচই ১ হাজার ৬০০ থেকে ১ হাজার ৭০০ টাকা। সংরক্ষণ ব্যয় যোগ হলে পুরোপুরি লোকসান গুনতে হচ্ছে।

কাপাসিয়ায় রেকর্ড সংখ্যক কাঁঠাল উৎপাদন হলেও ক্রেতা ও পাইকারের সংকটে ন্যায্যমূল্য না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়েছেন স্থানীয় চাষিরা।

ঠাকুরগাঁওয়ে ‘ব্ল্যাক ডায়মন্ড’ পেঁয়াজবীজের চাষে কৃষকদের আগ্রহ বেড়েছে, আবাদ প্রতি বছর বাড়ছে। ছোট শিশুর মতো যত্ন নিয়ে হস্তপরাগায়ন করছেন চাষিরা। এ মৌসুমে ১ হাজার ১২৫ হেক্টরে আবাদ হয়েছে, উৎপাদনের লক্ষ্য ১ হাজার ২৩৭.৫ টন।

ইউটিউবে একটি ভিডিও দেখে পেঁয়াজবীজ চাষে উদ্বুদ্ধ হন দিনাজপুরের বিরল উপজেলার যুবক মিলন ইসলাম (২৫)। ২০২২ সালের পর কয়েক বছরের মধ্যেই তিনি এ চাষে সফলতা পেয়েছেন।

২০২৫ সালে কোন পণ্যগুলো অনলাইনে বেশি কেনাকাটা করেছেন মানুষ? এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে দেশের জনপ্রিয় তিনটি অনলাইন কেনাকাটার দোকানের কাছ থেকে মিলল চমৎকার তথ্য।