
জলবায়ু সহনশীল নগর উন্নয়নে আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রকল্পের উদ্বোধন
ঢাবিতে জলবায়ু সহনশীল নগর উন্নয়নবিষয়ক আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছে।

ঢাবিতে জলবায়ু সহনশীল নগর উন্নয়নবিষয়ক আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছে।

৫ থেকে ১৩ জুন অনুষ্ঠিতব্য এই রোড শোতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রযুক্তি ও সেমিকন্ডাক্টর কেন্দ্রে শিল্পপ্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক, উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী, প্রযুক্তি নির্বাহী, নীতিনির্ধারক ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা অংশগ্রহণ করবেন।

সরকার বদলায়, নীতিনির্ধারক বদলায়, স্টিয়ারিং ধরার হাত বদলায় কিন্তু বাস বদলায় না। এই অমরত্বের রহস্যটা সেদিনই বুঝলাম। বিআরটিএ নতুন বাসের দামে ভাড়া নির্ধারণ করে। কিন্তু রাস্তায় চলে ২০ বছরের পুরোনো বাস। অর্থাৎ আমরা নতুনের ভাড়া দিই, পুরোনোতে চড়ি। অর্থনীতির ভাষা জানি না, তবে আমাদের ভাষায় একে বলে—ঠগবাজি।

প্রদর্শনীটি শ্রমিকদের অভিজ্ঞতা, বেদনা এবং দৃঢ়তার গল্প সামনে এনে একদিকে যেমন জনসচেতনতা বৃদ্ধি করবে, অন্যদিকে নীতিনির্ধারক ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে আরও দায়িত্বশীল ও মানবিক পদক্ষেপ গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করবে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ইন সার্চ অব রুট ফাউন্ডেশনের (আইএসওআরএফ) আয়োজনে সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন নীতিনির্ধারক, অর্থনীতিবিদ, উদ্যোক্তা ও প্রবাসী প্রতিনিধিরা।

জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণের পথে অর্থায়নের ঘাটতি, উচ্চ খরচসহ বিভিন্ন বাধা চিহ্নিত হয়েছে জাতীয় কর্মশালায়। কেয়ার বাংলাদেশ ও আইডিই বাংলাদেশের আয়োজনে বিশেষজ্ঞ, নীতিনির্ধারক ও বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সুন্দরবন ও হাকালুকি হাওরের মতো এলাকায় টেকসই সমাধান নিয়ে আলোচনা হয়।

এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান আরও বলেন, অনেক নীতিনির্ধারক এখনো পুঁজিবাজারকে ‘জুয়ার বাজার’ হিসেবে দেখেন। এই ধারণাটি ভাঙতে হবে।

এই নীরবতা ও উদাসীনতার দায় সাধারণ মানুষের নয়; বরং নীতিনির্ধারক, শিক্ষাবিদ, প্রশাসকদের।

‘আমি এ দেশের মাটি ও বাতাসের মাঝে নিরাপদভাবে বেঁচে থাকার পরিবেশ ভবিষ্যৎ বাংলাদেশে দেখতে চাই। এ রকম একটা ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গড়তে নীতিনির্ধারক তৈরি করার নির্বাচন অনুষ্ঠিত করুন’।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণকাজ যখন শেষ পর্যায়ে, তখন নীতিনির্ধারকদের মধ্যে একটি নতুন আলোচনা জোরালো হচ্ছে—রূপপুর ৩ ও ৪ নম্বর ইউনিট হিসেবে অথবা দেশের অন্য কোনো স্থানে স্মল মডিউলার রিঅ্যাক্টর (এসএমআর) স্থাপনের সম্ভাবনা।

যখন কোনো দেশের ব্যাংকিং খাত রক্তাক্ত হয়, নীতিনির্ধারকদের প্রথম প্রবণতা হয় কারিগরি সমাধানের দিকে হাত বাড়ানো—কঠোর মূলধন পর্যাপ্ততার বিধি, ঋণ শ্রেণীকরণের কড়া মানদণ্ড, নতুন প্রভিশনিং প্রয়োজনীয়তা।

মার্কিন নীতিনির্ধারকদের ধারণা, নতুন করে ভয়াবহ হামলার পর ইরান নমনীয় হতে বাধ্য হবে। পারমাণবিক ইস্যুতে আলোচনার টেবিলে আসতে আগ্রহী হবে।