
নারীর ন্যায়বিচারের পথে বড় বাধা প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা
নারীর ন্যায়বিচারে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা ও কাঠামোগত বাধা দূর করার আহ্বান।

নারীর ন্যায়বিচারে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা ও কাঠামোগত বাধা দূর করার আহ্বান।

সাইবার সাপোর্ট ফর উইমেন অ্যান্ড চিলড্রেন (সিএসডব্লিউসি) ও মুক্তকণ্ঠের উদ্যোগে ‘নারীর প্রতি অনলাইন সহিংসতা: ভুক্তভোগীকেন্দ্রিক সহায়তা নিশ্চিতে করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় ২ মার্চ ২০২৬ ঢাকার মুক্তকণ্ঠ কার্যালয়ে।

প্রতিবছর নারী দিবসে আমরা নারীর শক্তি, স্থিতিস্থাপকতা ও কৃতিত্ব উদ্যাপন করি। তবু বক্তৃতা ও স্লোগানের আড়ালে একটি নীরব, অস্বস্তিকর সত্য লুকিয়ে আছে: নারীদের এখনো নিজেদের এমনভাবে প্রমাণ করার আশা করা হয়, যেভাবে পুরুষেরা তা করে না।

আমি যদিও আলাদাভাবে নারী দিবস পালনের পক্ষে নই, তবে বর্তমান সময়ে এসেও যখন ঢাকায় ৬ বছর বয়সী শিশুকে পাশবিক নির্যাতনের পর হত্যা, নরসিংদীতে কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের পর খুনের মতো ঘটনা দেখি, তখন মনে হয় দরকার আছে একটা দিবসের ও দরকার আছে।

ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নারীবিদ্বেষী প্রচারণা রোধে সচেতনতা, ইতিবাচক কনটেন্ট তৈরি, নারীর সংগ্রাম ও সাফল্যের গল্প তুলে ধরার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

ঢাকার নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের সহযোগিতায় সেভ দ্য চিলড্রেনের সোচ্চার প্রকল্প ও মুক্তকণ্ঠের উদ্যোগে আয়োজিত ‘নারী নেতৃত্বের বিকাশ ও টেকসই পরিবর্তনের সমন্বিত উদ্যোগ’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় ৯ মার্চ ২০২৬, ঢাকার মুক্তকণ্ঠ কার্যালয়ে।

আমরা যারা আশি-নব্বইয়ের দশকে বেড়ে উঠেছি, বোঝার বয়স থেকেই দেখেছি, বাংলাদেশের সরকারপ্রধান একজন নারী। ১৯৯১ সালের স্কুলজীবন থেকে শুরু করে তিন দশকের বেশি সময় ধরে দুই নারী নেত্রীর হাতেই ছিল শাসনভার।

সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দিচ্ছে যে বাংলাদেশের ব্যাংকিং ও করপোরেট খাতে নারীর অংশগ্রহণ এখনো কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় পৌঁছায়নি।

নারীরা নেতৃত্ব পর্যায়ে সমান অংশগ্রহণ চান। এ জন্য পরিবার ও সমাজে দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন দরকার।

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের অর্থনীতি, খাদ্যনিরাপত্তা ও গ্রামীণ জীবনের সঙ্গে কৃষি নিবিড়ভাবে যুক্ত। এই কৃষিব্যবস্থার পেছনে রয়েছে লক্ষ মানুষের পরিশ্রম।

সরকার মেয়েদের জন্য অবৈতনিক স্নাতকোত্তর শিক্ষা কার্যক্রম চালু করবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক সায়মা হক বিদিশা বলেন, জেন্ডার বাজেটের সঠিক বাস্তবায়নের জন্য তথ্য-উপাত্ত নির্ভুল রাখা এবং স্বচ্ছ মূল্যায়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।