
দেশের ফুটবল লিগে আবারও গোলে এগিয়ে বিদেশিরাই
বিদেশিদের আধিপত্যের মধ্য দিয়েই দীর্ঘ ৮ মাস খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলার পর অবশেষে কাল শেষ হয়েছে ১০ দলের বাংলাদেশ ফুটবল লিগ।

বিদেশিদের আধিপত্যের মধ্য দিয়েই দীর্ঘ ৮ মাস খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলার পর অবশেষে কাল শেষ হয়েছে ১০ দলের বাংলাদেশ ফুটবল লিগ।

২০০৯-১০ মৌসুমে দেশের শীর্ষ পেশাদার ফুটবল লিগে নাম লিখিয়েও এক আসর পরই অবনমিত হয়ে দৃশ্যপট থেকে হারিয়ে গিয়েছিল দলটি।

খেলার মাধ্যমে ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিতেই এ আয়োজন। এবার ১১ জুন পর্দা উঠছে ফুটবলের এই বৈশ্বিক আসরের।

প্রতি বিশ্বকাপেই কিছু খেলোয়াড় দেখা যায়, যাঁদের জন্ম এক দেশে, খেলছেন অন্য কোনো দেশের হয়ে। তবে জন্মভূমির বাইরের দলের হয়ে খেলে বিশ্বকাপ খেলার কীর্তি খুব বেশি নেই।

ঢাকার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে ২০০৫ সালে ব্রাদার্স ইউনিয়নের হয়ে যাত্রা শুরু করেছিলেন।

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের মধ্যে ২০২৬ বিশ্বকাপে অংশ নেবে ইরান, তবে আয়োজক যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার কাছে ১০টি শর্ত দিয়েছে। খেলোয়াড়দের ভিসা, জাতীয় পতাকা-সংগীতের সম্মান ও নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছে ফেডারেশন। আইআরজিসি-সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়দের ভিসা নিয়ে উত্তেজনা রয়েছে।

তাবিথ আউয়ালের নেতৃত্বে বাফুফে জাতীয় দলকে সুবিধা দিলেও জেলা ফুটবলে অঘোষিত কারফিউ চলছে। গত বছর ৬৪ জেলায় মাত্র পাঁচটিতে লিগ হয়েছে। পাইওনিয়ার ও নিচের স্তরের লিগ বন্ধ থাকায় উন্নয়নমূলক কাজে পিছিয়ে রয়েছে বাফুফে।

কিছু দেশের জন্য বিশ্বকাপে খেলাটা একেবারেই স্বাভাবিক ঘটনা, কিছু দেশের জন্য প্রজন্মের পর প্রজন্ম তাড়া করে বেড়ানো এক সুতীব্র আকাঙ্ক্ষা।

জন্ম এক দেশে, খেলেন অন্য দেশের হয়ে! প্রতি বিশ্বকাপেই এমন কিছু খেলোয়াড় পাওয়া যায়। এবারের বিশ্বকাপে এমন খেলোয়াড়ের সংখ্যা অনেক বেশি।

প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপে গতকাল অভিষেক হয়েছে বালোগানের। প্রথম ম্যাচেই জোড়া গোল করে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে যুক্তরাষ্ট্রকে ৪-১ ব্যবধানের বড় জয় এনে দেন ২৪ বছর বয়সী স্ট্রাইকার, জিতে নেন ম্যাচসেরার পুরস্কারও।

বিশ্বকাপে সবচেয়ে কম জনসংখ্যার দেশ কুরাসাওর কোচ হলেন ৭৮ বছরের ডিক অ্যাডভোকাট। অ্যাডভোকাট এর আগে ১৯৯৪ বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডস এবং ২০০৬ বিশ্বকাপে দক্ষিণ কোরিয়ার কোচ ছিলেন। কোচিং করিয়েছেন বেলজিয়াম, সার্বিয়া, রাশিয়া ও ইরাককেও।

আশি ও নব্বইয়ের দশকে বলকান অঞ্চলের যুদ্ধ এবং আফ্রিকার রাজনৈতিক অস্থিরতা থেকে বাঁচতে হাজার হাজার মানুষ সুইজারল্যান্ডে আশ্রয় নেন। সেই অভিবাসীদের দ্বিতীয় প্রজন্মই আজকের সুইস ফুটবলের মেরুদণ্ড