
ভেনেজুয়েলা থেকে বেড়েছে ভারতের তেল আমদানি, ভূরাজনীতিতে কিসের ইঙ্গিত
এপ্রিলের তুলনায় মে মাসে ভারতে ভেনেজুয়েলার তেল রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ৫০ শতাংশ।

এপ্রিলের তুলনায় মে মাসে ভারতে ভেনেজুয়েলার তেল রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ৫০ শতাংশ।

এশিয়া ও ইউরোপের শোধনাগারগুলো বিকল্প উৎস থেকে তেল সংগ্রহে ঝুঁকছে। ফলে বিশ্বের বৃহত্তম উৎপাদক যুক্তরাষ্ট্রের তেলের চাহিদা হঠাৎই বেড়ে গেছে।

হরমুজ প্রণালিতে অস্থিরতার কারণে ভারতের মোট তেল আমদানি ১৫% কমেছে, এলপিজি ৪০% নেমেছে। তবে রাশিয়া থেকে আমদানি ৯০% বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ছাড় পেয়ে ভারত বিকল্প উৎস খুঁজছে।

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রথম মাসে বাংলাদেশে ১১টি জাহাজে ৩ লাখ ২৭ হাজার টনের বেশি জ্বালানি তেল এসেছে। ভারত থেকে পাইপলাইনে ২২ হাজার টন ডিজেল পাওয়া গেছে। নির্ধারিত ৮টি জাহাজ না পৌঁছানোর কারণে সরবরাহে চাপ পড়েছে।

সরবরাহে ঘাটতি নেই, তবে আসেনি ‘জরুরি তেল’

তেল নিয়ে আসছে ৬টি জাহাজ, অনিশ্চিত ৫টি

জ্বালানি তেল আমদানির উৎস বাড়াতে চায় সরকার

গভীর সমুদ্রে টুনা মাছ আহরণের সম্ভাবনা যাচাইয়ে সাড়ে ৩৫ কোটি টাকায় আন্তর্জাতিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আজ বুধবার সরকারি ক্রয় কমিটিতে তা অনুমোদন দেওয়া হয়।

ফার্নেস তেলের দাম লিটারে ১৮ দশমিক ৮৫ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ১১৩ দশমিক ৫৪ টাকা হয়েছে, বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ বাড়বে।

নতুন দুই কার্গো এলএনজি কেনা হয়েছে। বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি সাশ্রয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা।

ইরান যুদ্ধের কারণে অপরিশোধিত তেল আমদানি আটকে যাওয়ায় উৎপাদনের গতি কমিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছে দেশের একমাত্র সরকারি তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি।

সানেমের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, তেলের দাম ৪০% এবং এলএনজি ৫০% বাড়লে জিডিপি ১.২% কমতে পারে, রপ্তানি ২% এবং আমদানি ১.৫% হ্রাস পাবে। মূল্যস্ফীতি ৪% বাড়বে এবং প্রকৃত মজুরি ১% কমবে। জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য সানেম নবায়নযোগ্য শক্তি ও মজুত তৈরির সুপারিশ করেছে।