
তৃণমূল কংগ্রেসে সংকট, বিজেপির নজরে এখন সংসদীয় দল
লোকসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্যসংখ্যা ২৮, রাজ্যসভায় ১৩।

লোকসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্যসংখ্যা ২৮, রাজ্যসভায় ১৩।

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূল কংগ্রেসে পদত্যাগের ঢেউ চলছে। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের পদত্যাগ তৃণমূলের জন্য বড় ধাক্কা।

আদালতে তৃণমূলের আইনজীবী বলেন, বিরোধী দলনেতা নির্ধারণের ক্ষমতা রাজনৈতিক দলের হাতেই রয়েছে, কোনো রাজনৈতিক দলের নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের হাতে নয়।

তৃণমূল কংগ্রেসের বিদ্রোহী নেতা ঋতব্রত দাবি করেছেন, তাঁরা আসল তৃণমূল। যদিও মমতার সমর্থকেরা তা মানছেন না।

মমতা-অভিষেককে বাদ দিয়ে নতুন কর্মসমিতি গঠন করেছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।

সম্প্রতি বেশ কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় তৃণমূল নেতাকে জনতার ক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছে, যার মধ্যে ‘চোর, চোর’ স্লোগান দেওয়া এবং ডিম ছুড়ে হামলার মতো ঘটনা রয়েছে।

‘বাংলায় আমাদের যত অত্যাচার করবেন, দিল্লিতে আপনাদের সমস্যা তত বাড়বে।’ গত ২৪ মে বিজেপিকে এভাবেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন শুধু তৃণমূল কংগ্রেস আর ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) মধ্যে সাধারণ রাজনৈতিক লড়াই ছিল না। এই নির্বাচন এক অন্যরকম পরিস্থিতির ছবি দেখিয়েছে। এখানে রাজ্যের নির্বাচিত সরকারের শাসক দল তৃণমূলকে একসঙ্গে দু’দিক থেকে লড়তে হয়েছে। দলটির একদিকে আছে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ। আর অন্যদিকে রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।

তৃণমূল ও এনসিপির মতো আঞ্চলিক দলগুলোর কংগ্রেসে ফেরার গুঞ্জন উঠেছে।

ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোটে তৃণমূল দুই শ আসনে জয় পাবে বলে দাবি করেছেন মমতা।

বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার সব শক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের জাতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।