
ট্রাম্প চীন যাচ্ছেন মার্চ মাসে, জানাল হোয়াইট হাউস
২০১৭ সালে নিজের প্রথম মেয়াদে চীন সফর করেছিলেন ট্রাম্প

২০১৭ সালে নিজের প্রথম মেয়াদে চীন সফর করেছিলেন ট্রাম্প

বিশ্বব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে ক্রমে চীন নিজেদের অবস্থান সুসংহত করছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের ঐতিহাসিক সফরে বেইজিংয়ে পৌঁছেছেন। সেখানে চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু হয়েছে। বৈঠক হয়েছে ‘গ্রেট হল অব দ্য পিপল’–এ।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীন সফর ইরান যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্র চীনের সাহায্য চাইছে ইরানের ওপর প্রভাব খাটাতে। বাণিজ্য, তাইওয়ান ও অর্থনৈতিক নির্ভরতার মধ্যে বিশ্বের নতুন সমীকরণ ফুটে উঠছে।

ট্রাম্পের চীন সফর শেষ হওয়ার পরপরই আগামী সপ্তাহে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বেইজিং যেতে পারেন। এটি বেইজিং-মস্কোর নিয়মিত যোগাযোগের অংশ। চীন এর মাধ্যমে একই মাসে দুই শীর্ষ পরাশক্তির নেতার আতিথেয়তা দেবে।

যুক্তরাষ্ট্র যখন যুদ্ধে ব্যস্ত, সি তখন শান্তির ডাক দিচ্ছেন। উপসাগরীয় অঞ্চল ও ইউরোপের বিদেশি গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অভ্যর্থনা জানাচ্ছেন, যাঁরা এই সংকট অবসানে তাঁর সহযোগিতা চাচ্ছেন।

চীনের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ট্রাম্পের সঙ্গে বেইজিং সফর করেছেন এবং সি চিন পিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। চীন তাঁকে নতুন চীনা নাম দিয়ে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে। এ ঘটনা এখন ব্যাপক আলোচনায় রয়েছে।

চীনে দুই বিশ্বনেতার অভ্যর্থনায় বাহ্যিক মিল থাকলেও কিছু সূক্ষ্ম পার্থক্য ছিল চোখে পড়ার মতো।

ট্রাম্পের ছবি ও স্লোগান ছাপা চীনা আতশবাজিতে উচ্ছ্বাস। যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবসের জন্য চীন থেকে রপ্তানি বেড়েছে। চীনের রপ্তানি আতশবাজির প্রায় ৪০ শতাংশ যায় মার্কিন বাজারে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীন সফর শেষে গতকাল শুক্রবার দেশে ফিরেছেন। এখন তিনি ইরান নিয়ে বড় ধরনের কিছু সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

প্রায় এক দশকের মধ্যে প্রথম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে চীনের রাজধানী বেইজিং সফর করেন ট্রাম্প।