
জ্বালানি সরবরাহে ঘাটতি নেই, তবে আসেনি ‘জরুরি তেল’
নতুন উৎস থেকে সরাসরি তেল কেনার প্রক্রিয়ায় ৮টি বিদেশি কোম্পানি কাজ পেলেও তেল সরবরাহ করেনি। এখন উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বান করা হচ্ছে।

নতুন উৎস থেকে সরাসরি তেল কেনার প্রক্রিয়ায় ৮টি বিদেশি কোম্পানি কাজ পেলেও তেল সরবরাহ করেনি। এখন উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বান করা হচ্ছে।

গত বছরের একই সময়ের চাহিদার সঙ্গে মিল রেখে জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হচ্ছে বলে দাবি করেছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।

সরবরাহে ঘাটতি নেই, তবে আসেনি ‘জরুরি তেল’

সংসদে বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেছেন, পাম্পে দীর্ঘ লাইন কৃত্রিম সংকটের ফল এবং দেশে জ্বালানির কোনো ঘাটতি নেই। অতিরিক্ত ক্রয় ও মজুত রোধে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে। বৈশ্বিক সংকট সত্ত্বেও দাম বাড়ায়নি এবং যথেষ্ট সরবরাহ নিশ্চিত করেছে।

গতকাল বুধবার বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৫ হাজার ৭৬৭ মেগাওয়াট। সরবরাহ ছিল ১৩ হাজার ৬৮১ মেগাওয়াট।

লোডশেডিং মানেই গ্রাম

জাতীয় বাজেটকে ঘাটতি ও ঋণনির্ভরতার বাজেট হিসেবে বর্ণনা করেছেন আনিসুল ইসলাম মাহমুদ।

জাতীয় সংসদে আদানি গ্রুপের সঙ্গে বিদ্যুৎ চুক্তি নিয়ে সরকারের অবস্থান জানিয়েছেন বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। জ্বালানি সংকট, গ্যাস ঘাটতি ও বিদ্যুৎ অবকাঠামোসহ বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়েছে। সংসদে জ্বালানি সরবরাহ ও শব্দচয়ন নিয়েও বিতর্ক হয়।

চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম বলেছেন, জ্বালানি তেলের ঘাটতি কৃত্রিম এবং সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তারেক রহমানের নির্দেশে মজুতদারি ও চোরাচালান রোধে কঠোর ব্যবস্থা জোরদার করা হবে। সংসদীয় দলে পরিবহন দুর্ঘটনা নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণের পথে অর্থায়নের ঘাটতি, উচ্চ খরচসহ বিভিন্ন বাধা চিহ্নিত হয়েছে জাতীয় কর্মশালায়। কেয়ার বাংলাদেশ ও আইডিই বাংলাদেশের আয়োজনে বিশেষজ্ঞ, নীতিনির্ধারক ও বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সুন্দরবন ও হাকালুকি হাওরের মতো এলাকায় টেকসই সমাধান নিয়ে আলোচনা হয়।

চার বছর ধরে বাংলাদেশ উচ্চ মূল্যস্ফীতি, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মন্থরগতি, বেসরকারি বিনিয়োগের স্থবিরতা, রাজস্ব আহরণে বড় ঘাটতি, খেলাপি ঋণের বৃদ্ধি, অনেক ব্যাংকে তারল্যসংকট এবং জ্বালানি সরবরাহে অব্যাহত সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি।

বিপিসির তথ্য বলছে, দেশে বর্তমানে অকটেনের কোনো ঘাটতি নেই।