
চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক: উদীয়মান প্রাচ্যের জোয়ারে নতুন যাত্রা
গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আমন্ত্রণে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিগগিরই চীন সফরে যাচ্ছেন।

গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আমন্ত্রণে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিগগিরই চীন সফরে যাচ্ছেন।

এই ব্যবসায়ীরা সম্ভবত বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা ও ব্যবসায়িক চুক্তি সইয়ের চেষ্টা করবেন। শেষ মুহূর্তে সফরে যোগ দিয়েছেন এনভিডিয়ার জেনসেন হুয়াং।

চীনের হাইনান প্রদেশে ‘হোয়াই চীন: ওয়াকিং লিংশুই’ শীর্ষক ছয় দিনব্যাপী মিডিয়া ট্যুরে বাংলাদেশসহ ১২ দেশের সাংবাদিক, সম্পাদক ও বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফরের ফলে বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির।

গত বছর রাশিয়া ও চীন পাওয়ার অব সাইবেরিয়া–২ প্রকল্প নিয়ে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে। কিন্তু বেইজিংকে দেখে মনে হচ্ছে, তারা চুক্তি নিয়ে তাড়াহুড়া চায় না।

চীন সফরে গেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ব্রহ্মপুত্র নদ নিয়ে চীন ও ভারত দুই দেশই প্রতিযোগিতামূলক ও অচল এক সম্পর্কের জালে আটকে আছে।

চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে ইরানের প্রতিরক্ষা চুক্তি রয়েছে।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে, যেখানে আবেগ, ঐতিহাসিক স্মৃতি, দলীয় অবস্থান বা জনমতের তাৎক্ষণিক চাপ দিয়ে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত ব্যাখ্যা করা কঠিন।

বিশ্বের ৬৮টি দেশ থেকে ২ হাজার ৩০০ প্রদর্শক অংশ নিয়েছে। ১৬ জুন পর্যন্ত প্রদর্শনী চলবে।

দুই দিনের সফরে চীনে পৌঁছেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এই দুই দেশের সম্পর্ক আরও নিবিড় হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে এই সফর।

অন্যান্য ক্ষেত্রে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে যেমন অনেকটা খালি হাতে ফিরতে হয়েছে, ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম হয়নি।