
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা কারসাজি করে গ্যাসের দাম বাড়িয়েছেন: জ্বালানি উপদেষ্টা
জ্বালানি উপদেষ্টা বলেন, অস্বাভাবিকভাবে এলপিজির দাম বাড়ানো ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট করা হচ্ছে। যাঁরা দোকান বন্ধ রেখেছেন, সেগুলোও খোলার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জ্বালানি উপদেষ্টা বলেন, অস্বাভাবিকভাবে এলপিজির দাম বাড়ানো ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট করা হচ্ছে। যাঁরা দোকান বন্ধ রেখেছেন, সেগুলোও খোলার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এপ্রিলে বেসরকারি খাতের এলপিজির ভোক্তাদাম প্রতি কেজিতে ৩২ টাকা ৩০ পয়সা বেড়েছে। ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম এখন ১ হাজার ৭২৮ টাকা, যা গত মাসের তুলনায় ৩৮৭ টাকা বেশি।

গত এক-দুই মাসে প্রায় সব পণ্যের দাম বেড়েছে। চলতি মাসে দুই দফায় এলপি গ্যাসের দাম বাড়ানো হলে বাড়তি চাপে পড়েন সীমিত আয়ের মানুষ।

ভোক্তাপর্যায়ে বেসরকারি খাতের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম কমেছে।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি ভঙ্গুর হওয়ায় হরমুজ প্রণালি অচল, তেল-গ্যাসের দাম স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে। জাহাজ চলাচল কমে সরবরাহে চাপ, বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রভাব পড়ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বড় শক্তিগুলোর সমন্বয় ছাড়া সমাধান কঠিন।

বাড়ানো হয়েছে গ্যাসের দাম, যুক্ত হয়েছে পাইপলাইন ট্যারিফ। কমানো হয়েছে শ্রমিক তহবিল। আজ রোববার দরপত্র বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা শুরু করে। ইরানও পাল্টা জবাব দিচ্ছে। যুদ্ধের কারণে তেল ও গ্যাসের উৎপাদন বিঘ্নিত হচ্ছে, সরবরাহ কঠিন হয়ে পড়ছে, দাম বাড়ছে।

অনেক দেশের পেট্রল, ডিজেল, তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস ও প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত কমে যাবে। যুদ্ধ আরও দীর্ঘায়িত হলে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলার পর্যন্ত উঠে যেতে পারে।

চট্টগ্রামে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) বাজারে স্বস্তি এখনো পুরোপুরি ফেরেনি। সরবরাহ কিছুটা বাড়লেও দাম কমেনি।

রাতারাতি জ্বালানি তেল ও এলপিজি গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি করায় জীবন-জীবিকায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে রাজধানী ঢাকায় তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সিলিন্ডারের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।