
‘গুপ্ত’ রাজনীতি কেন ভয়ানক
গুপ্ত রাজনীতি কোনো গুণ নয়, বরং এটি পরিশীলত রাজনীতিচর্চার বড় অন্তরায়। যাঁরা মনে করেন, প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য গুপ্ত রাজনীতি জিইয়ে রাখবেন, তাঁরা কখনোই কোনো জাতির মূল্যবান সম্পদ নন।

গুপ্ত রাজনীতি কোনো গুণ নয়, বরং এটি পরিশীলত রাজনীতিচর্চার বড় অন্তরায়। যাঁরা মনে করেন, প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য গুপ্ত রাজনীতি জিইয়ে রাখবেন, তাঁরা কখনোই কোনো জাতির মূল্যবান সম্পদ নন।

ছাত্রশিবিরের ‘গুপ্ত রাজনীতি’ নিষিদ্ধের দাবি জানিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) দেয়াললিখন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। আজ বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার–সংলগ্ন প্রাচীরে দেয়াললিখনের মাধ্যমে এ কর্মসূচি শুরু হয়।

ক্যাম্পাসে ‘গুপ্ত রাজনীতি’র বিরুদ্ধে প্রতিবাদে দেয়াললিখন কর্মসূচি পালন করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল।

সরকারি দলের হুইপ রকিবুল ইসলাম বলেছেন, শিক্ষার্থীরা আর কোনো গুপ্ত রাজনীতি দেখতে চায় না। তারা চায় প্রকাশ্যে সবকিছুই হবে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘গুপ্ত রাজনীতি’ চলতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন।

প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর অভিযোগ করেছেন, বিরোধী দলের আচরণ সামাজিক মাধ্যমে টক্সিক পরিবেশ তৈরি করছে।

এসব ঘটনার সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে ছয়জন সাংবাদিক হেনস্তা-হুমকি-ধমকির শিকার হন।

একটি বিশেষ রাজনৈতিক দল বিকাশে টাকা পাঠিয়ে নিজেদের পক্ষে ভোট চাইছে বলে অভিযোগ করেছেন ঢাকা-১০ আসনে বিএনপির প্রার্থী শেখ রবিউল আলম।

চট্টগ্রামের সরকারি সিটি কলেজে গ্রাফিতিতে ‘গুপ্ত’ শব্দ লেখা নিয়ে ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দুই দফায় সংঘর্ষ চলে। এ সময় ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা হাতে উভয় পক্ষের কর্মীদের দেখা গেছে। ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন বলে দুই পক্ষই দাবি করেছে।