
বেনাপোলে কাস্টমের গুদাম থেকে ভারতীয় পণ্য পাচারের চেষ্টা, রাজস্ব কর্মকর্তাসহ আটক ৩
শোরের বেনাপোল কাস্টমের গুদাম থেকে জব্দ করা ভারতীয় পণ্য পাচারের সময় সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তাসহ তিনজনকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

শোরের বেনাপোল কাস্টমের গুদাম থেকে জব্দ করা ভারতীয় পণ্য পাচারের সময় সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তাসহ তিনজনকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার সিদ্ধিরগঞ্জে পরিত্যক্ত একটি গুদাম থেকে এক যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

চকবাজারে প্লাস্টিক কারখানার গুদাম থেকে ইউনুস মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মাথায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়ায় হত্যাকাণ্ডের সন্দেহ করছে পুলিশ।

নেত্রকোনার মদনে সরকারি খাদ্যগুদাম থেকে পাচারের অভিযোগে ২০ টন চাল জব্দের ঘটনার পর তদন্তে আরও প্রায় ৪৩ টন ৫৬০ কেজি অতিরিক্ত চালের সন্ধান পাওয়া গেছে।

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে শিশুর লাশ উদ্ধার, ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ

বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ৩৫ লাখ টন খাদ্য অপচয় হয় বলে জানিয়েছে সরকার।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে সালেহ কার্পেট কারখানার গুদাম থেকে ৫৭৮ টন সরকারি চাল জব্দ করেছে র্যাব। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোড়কে চাল প্যাকেটজাত করার প্রমাণ পাওয়া গেছে। আব্দুল আজিজ নামে একজনকে আটক করে গুদাম সিলগালা করা হয়েছে।

ভোলা শহরের ব্যস্ত চকবাজার এলাকায় এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আগুনে চোখের সামনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে ‘শাড়ি বিতান’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের দুটি গুদাম।

নেত্রকোনায় জ্বালানি সংকটের সুযোগ নিয়ে এক ব্যবসায়ীর গুদাম থেকে ৪ হাজার ৩০০ লিটার ডিজেল জব্দ করেছে প্রশাসন। ব্যবসায়ী রহমতউল্লাহকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জব্দ ডিজেল সরকারি দরে বিক্রির জন্য ফিলিং স্টেশনে পাঠানো হবে।

চট্টগ্রাম নগরের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেলের সংকট চলছে। ফলে বেশি দামে বিক্রি করে অতিরিক্ত লাভের আশায় প্রায় ছয় হাজার লিটার ডিজেল মজুত করেছেন এক ব্যবসায়ী। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানে গিয়ে ওই ব্যবসায়ীর গুদাম থেকে এসব জ্বালানি জব্দ করেছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ও নগর পুলিশের একটি দল।

কুড়িগ্রামে ব্যবসায়ীদের তিনটি গুদাম থেকে বিপুল পরিমাণ সরকারি চাল জব্দ করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ভূরুঙ্গামারী উপজেলার কাশিমবাজার এলাকা থেকে চালগুলো উদ্ধার করা হয়।

চট্টগ্রাম দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম নগরী। শিল্পাঞ্চল, বন্দর, গ্যাস স্থাপনা, গুদাম ও ঘনবসতিপূর্ণ আবাসিক এলাকার বিস্তারের কারণে এখানে অগ্নিকাণ্ড ও বিস্ফোরণের ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি।