
গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের আহ্বান
রাজনৈতিক নেতারা সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের দাবি জানিয়ে জনগণের গণভোটের রায় বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।

রাজনৈতিক নেতারা সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের দাবি জানিয়ে জনগণের গণভোটের রায় বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মজলিসে শুরায় সাত দফা প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে গণভোট, দ্রব্যমূল্য, স্থানীয় নির্বাচন ইত্যাদি বিষয়ে।

গণভোটের রায় উপেক্ষা করে সরকার মৌলিক পরিবর্তনের সব বিষয়কে অগ্রাহ্য করেছে। এতে জাতীয় জীবনে নতুন সংকট সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াত আমির শফিকুর রহমান।

সব দল পিছিয়ে গেলেও গণভোটের রায় বাস্তবায়নে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস প্রয়োজনে একাই জনগণের দুয়ারে যাবে বলে জানিয়েছেন দলের আমির মামুনুল হক।

সভায় হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, নতুন সরকারের কাছে গণভোটের রায়ের মাধ্যমে সংবিধান সংস্কারের প্রত্যাশা করেছিল জনগণ।

সুইজারল্যান্ডে জনসংখ্যা ১ কোটিতে সীমিত রাখার প্রস্তাব নিয়ে ভোট হচ্ছে।

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটদাতাদের নিয়ে ফোরাম গঠনের মাধ্যমে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের কথা বলেছেন মজিবুর রহমান মঞ্জু।

১০ মে ২০২৬ তারিখে মুক্তকণ্ঠতে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষক অধ্যাপক আলী রীয়াজ জুলাই জাতীয় সনদ, গণভোট ও রাষ্ট্র সংস্কার নিয়ে তাঁর অবস্থান তুলে ধরেছেন।

জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং ২০২৫ সালের গণভোট অধ্যাদেশের ৩ ধারা ও তফসিল প্রশ্নে রুল।

জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তারা গণভোটের রায় উপেক্ষা না করার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁরা জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংবিধান সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন এবং রাষ্ট্রের বৈধতা সংকটের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

গণভোটে জনগণের প্রত্যক্ষ রায়কে পাশ কাটিয়ে সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে দেশকে গভীর রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সংকটের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে তাঁদের ক্ষেত্রেও এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। তবে বিভিন্ন সংগঠনের আড়ালে প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালানোর অভিযোগ আছে।