
খেলনার আড়ালে লুকিয়ে থাকা ঝুঁকি, আপনার শিশু নিরাপদ তো!
বাংলাদেশ সরকার প্রথমবারের মতো শিশুদের খেলনার জন্য বাধ্যতামূলক বাংলাদেশ মান (বিডিএস) নির্ধারণ করেছে।

বাংলাদেশ সরকার প্রথমবারের মতো শিশুদের খেলনার জন্য বাধ্যতামূলক বাংলাদেশ মান (বিডিএস) নির্ধারণ করেছে।

পুলিশের কাছে খবর ছিল আগ্নেয়াস্ত্র কেনাবেচা হবে। ক্রেতা সেজে এ অস্ত্র কিনতে যায় পুলিশ। এরপর এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে চার তরুণকে গ্রেপ্তার করা হয়। পিস্তলের মতো দেখতে অস্ত্রও ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে জানা যায়, এটি আসলে খেলনা পিস্তল। গতকাল রোববার বিকেলে চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে এ ঘটনা ঘটে।

শিল্প মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করে বলেছে, শিশুদের খেলনাসহ সাতটি পণ্যের জন্য বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) থেকে বাংলাদেশ মান বা বিডিএস নেওয়া বাধ্যতামূলক।

চকবাজারের গড়ে উঠেছে দেশের বৃহত্তম পাইকারি খেলনার বাজার। সাধারণ ক্রেতাদেরও কম দামে খেলনা কেনার সুযোগ আছে এখানে।

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় খেলার সময় পানিভর্তি গর্তে পড়ে তিন শিশু ডুবে মারা গেছে। ভারী বৃষ্টিতে ভর্তি হয়েছে সাত-আট ফুট গভীর গর্ত। এলাকায় শোকের ছায়া নেমেছে।

তিন বছর বা তার বেশি বয়সী শিশুদের জন্য বাজারে আসা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই–চালিত খেলনা শিশুদের আবেগ বুঝতে ভুল করছে।

হাসিমুখের স্ট্রবেরি, আঙুরের থোকা, রঙিন লিপস্টিক কিংবা ফিঙ্গার পাপেট—শপকিনসের ছোট, রঙিন খেলাগুলো মুহূর্তে যেকোনো শিশুর নজর কেড়ে নিতে পারে।

পঞ্চগড় সদর উপজেলার শেখপাড়া গ্রামে আবারও বসেছিল শতবর্ষী ‘পাগলির মেলা’। খেলনা বাঁশির শব্দ, নাগরদোলা, মাটির তৈজসপত্র, চুড়ি-ফিতা, মুড়ি-মুড়কি ও গুড়ের জিলাপির দোকানে ক্রেতাদের ভিড়ে উৎসবমুখর ছিল মেলা প্রাঙ্গণ।

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার ভদ্রাবতী নদীর তীরে চৈত্রের গরম উপেক্ষা করে ‘বউমেলা’ জমজমাট হয়েছে। নারী, শিশু ও কিশোরীরা সংসারের জিনিসপত্র, প্রসাধনী ও খেলনা কিনতে ভিড় করেছেন। প্রায় ২০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী এই মেলা বারুহাঁস বাজারকে উৎসবমুখর করে তুলেছে।

স্পেনের মালাগা শহরের এক পানশালায় ডাকাতির চেষ্টা হাসির রোল করে ব্যর্থ হয়েছে। কর্মীরা ছুরি-রামদাকে খেলনা ভেবে হেসে উড়িয়ে দিয়েছিলেন। শেষমেশ ডাকাত শূন্য হাতে পালাতে বাধ্য হন।

মেলায় হ্যান্ডিক্রাফট, খেলনা, প্রসাধনী, সাজসজ্জার সামগ্রী, বাঁশ ও কাঠের তৈরি পণ্য, বেতের জিনিস, মাটির পাত্র, লোহার সামগ্রীসহ গৃহস্থালির নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্য বিক্রি হচ্ছে।

মিরপুরে মি. ডি আই ওয়াইয়ে পাওয়া যায় গৃহস্থালিসামগ্রী, হার্ডওয়্যার, ইলেকট্রনিকস, অটোমোটিভ অ্যাক্সেসরিজ, ফার্নিশিং, স্টেশনারি, খেলাধুলা ও খেলনাসামগ্রী, উপহার, কম্পিউটার ও মোবাইল এক্সেসরিজ, গয়না ও কসমেটিকস।