
খামেনি হত্যায় মোদির নীরবতা অস্বস্তিকর
ভারত সরকার এই হত্যাকাণ্ডের নিন্দা করেনি; ইরানের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের বিরুদ্ধেও সরব হয়নি।

ভারত সরকার এই হত্যাকাণ্ডের নিন্দা করেনি; ইরানের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের বিরুদ্ধেও সরব হয়নি।

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার প্রতিবাদে দেশে দেশে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলবিরোধী তীব্র বিক্ষোভ চলছে।

ইরানে বিক্ষোভ: হাজারো মানুষকে হত্যা করল কারা

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যাকাণ্ডের খবরে ব্যথিত হওয়ার কথা জানিয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, এটি আন্তর্জাতিক আইন পরিপন্থী কাজ হয়েছে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার জন্য ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কয়েক দশক ধরে লেগে ছিল।

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন চরমোনাই পীর সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম।

সিআইএ–ইসরায়েল কীভাবে খামেনির অবস্থান খুঁজে পেল

যে হামলায় খামেনি নিহত হন, সেটিকেই যুদ্ধের সূচনা হিসেবে ধরা হচ্ছে।

হামলার উদ্দেশ্য ছিল ‘ইরান থেকে আসন্ন হুমকি মুক্ত করে মার্কিন জনগণকে রক্ষা করা।’ তবে হামলার আগে ইরান সশস্ত্র আক্রমণ শুরু করার দ্বারপ্রান্তে ছিল।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোল মাদুরোকে ধরে আমেরিকায় এনে বিচার করা, আর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে লক্ষ্য করে হত্যা করা—এই দুই ঘটনা আলাদা অঞ্চলে ঘটলেও একসঙ্গে পড়লে একটা বড় প্রশ্ন সামনে আসে।

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের যুদ্ধে ভারত পক্ষ নিয়েছে ইসরায়েলের, ইরানের টর্পেডো ডুবিয়ে দেওয়া নিয়ে রয়েছে নিশ্চুপ, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি হত্যার কোনো প্রতিক্রিয়াও জানায়নি।