
দেশে বছরে ৩৫ লাখ টন খাদ্য অপচয় হচ্ছে
বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ৩৫ লাখ টন খাদ্য অপচয় হয় বলে জানিয়েছে সরকার।

বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ৩৫ লাখ টন খাদ্য অপচয় হয় বলে জানিয়েছে সরকার।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ হাজার মাইল দূরের হলেও তার অর্থনৈতিক ধাক্কা কয়েক দিনের মধ্যেই বাংলাদেশে পৌঁছে গেছে। এই যুদ্ধ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে নতুন কী ঝুঁকি তৈরি করবে

আজ ২০ জুন, বিশ্ব শরণার্থী দিবস। ক্যালেন্ডারের পাতায় দিনটি প্রতিবছর আসে, কিন্তু কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়ার আশ্রয়শিবিরগুলোয় বসবাসকারী ১৪ লাখ রোহিঙ্গার জীবনে এই দিন কোনো নতুন আশার বার্তা নিয়ে আসে না। বরং খাদ্যসহায়তার টানাপোড়েন ও অনিশ্চিত প্রত্যাবাসনের ‘গোলকধাঁধায়’ স্বজন হারানো আর জন্মভূমি ছাড়ার স্মৃতিগুলো এই দিনে আরও প্রকট হয়ে ওঠে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রসঙ্গে খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখা মন্ত্রণালয়ের অন্যতম প্রধান কাজ।

বাঙালি অল্পতেই সন্তুষ্ট বলে একটা কথা আছে। মাওলানা ভাসানী এক ভাষণে বলেছিলেন, ‘এ দেশের মানুষ দুবেলা ডালভাত খেতে পারলেই খুশি।’

লোডশেডিং ও ডিজেল সংকটে বোরো খেতে সেচ নিয়ে দুশ্চিন্তায় কক্সবাজারের কৃষক

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা–কলাপাড়ার আদিবাসী রাখাইন সম্প্রদায়ের জীবনযাত্রা ও ঐতিহ্য বড় ধরনের অস্তিত্বসংকটের মুখে পড়েছে।

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে ‘মূল্যস্ফীতি সেভাবে বৃদ্ধি পাবে না’ বলে দাবি করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী আবদুল মুক্তাদির।

হরমুজ প্রণালীতে যুদ্ধবিধ্বস্ত পরিস্থিতি বিশ্বব্যাপী জ্বালানি, সার ও খাদ্য সংকট ঘটাচ্ছে। বাংলাদেশে সারকারখানা বন্ধ, পাকিস্তানে স্কুল বন্ধ। সমঝোতার মাধ্যমে জলপথ সচল না রাখলে সাড়ে চার কোটি মানুষ দুর্ভিক্ষের মুখে পড়তে পারে।

হরমুজ প্রণালীতে চলমান অবরোধ বিশ্ব অর্থনীতিকে এক গভীর সংকটের মুখে ঠেলে দিয়েছে। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ এলএনজি এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হওয়ায় এর অচলাবস্থা সরাসরি জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি করছে। তেলের দাম বৃদ্ধি, পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি এবং সরবরাহ চেইনে ব্যাঘাত বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি বাড়িয়ে তুলছে। এর পাশাপাশি আধুনিক যুদ্ধ কৌশলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), ড্রোন প্রযুক্তি এবং অ্যালগরিদম-নির্ভর সিদ্ধান্ত গ্রহণ এই সংঘাতকে আরও জটিল করে তুলছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি শুধু সামরিক সংঘাত নয়, বরং অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত আধিপত্যের লড়াই। হরমুজ সংকট দীর্ঘায়িত হলে খাদ্য নিরাপত্তা, শিল্প উৎপাদন এবং বৈশ্বিক বাজারে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। ফলে এই সংকটের দ্রুত সমাধান এখন শুধু আঞ্চলিক নয়, বৈশ্বিক প্রয়োজন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

একদিকে সংঘাতকবলিত এলাকাগুলোতে খাদ্য ও ত্রাণের তীব্র সংকট, অন্যদিকে ধরপাকড় ও দমন-পীড়নের ভয়ে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে বিরাজ করছে চরম আতঙ্ক।

উপকরণ। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী কর্তৃক অধিক মুনাফার আশায় খাদ্য বা জরুরি পণ্য লুকিয়ে রেখে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করাকে মজুতদারি বলা হয়।