
কোরবানির চামড়া: গরিবের অধিকার ক্ষুণ্ন করা পাপের কারণ
চামড়ার বাজারে নজিরবিহীন ধস লক্ষ্য করা যাচ্ছে। চামড়ার সঠিক মূল্য না পেয়ে হতাশায় অনেক মৌসুমী ব্যবসায়ী বা সাধারণ মানুষ চামড়া মাটির নিচে পুঁতে ফেলছেন।

চামড়ার বাজারে নজিরবিহীন ধস লক্ষ্য করা যাচ্ছে। চামড়ার সঠিক মূল্য না পেয়ে হতাশায় অনেক মৌসুমী ব্যবসায়ী বা সাধারণ মানুষ চামড়া মাটির নিচে পুঁতে ফেলছেন।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রী কাঁচা চামড়ার ক্রেতা ও বিক্রেতা, আড়তদার ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন। বাজার পরিস্থিতি, মূল্য, সংরক্ষণ ব্যবস্থা ও সামগ্রিক কার্যক্রম সম্পর্কেও খোঁজখবর নেন তিনি।

ব্যাংকগুলোকে চামড়া ঋণের লক্ষ্যমাত্রা এবং কত টাকা বিতরণ করা হলো, সেই তথ্য আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবৃদ্ধি ও নীতি বিভাগে পাঠাতে হবে।

কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহ করেছিলেন কিছু বাড়তি আয়ের আশায়। ক্রেতা না পাওয়ায় শতাধিক গরু ও খাসির চামড়া নদীতে ফেলে দিয়েছেন ফেনীর দুই মৌসুমি ব্যবসায়ী।

সরকার নির্ধারিত দাম অনুযায়ী বড় আকারের গরুর চামড়ার দাম দাঁড়ায় ১,২০০ টাকা। কিন্তু ঢাকায় এই ধরনের চামড়া বিক্রি হয়েছে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকায়।

বাজারজুড়ে পর্যাপ্ত চামড়া থাকলেও বিক্রি না হওয়ায় চরম হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

আজ বিকেলে রাজধানীর লালবাগের পোস্তা এলাকায় কোরবানির কাঁচা চামড়া ক্রয়-বিক্রয় কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

সাভারের ট্যানারির মালিকেরা বলছেন, এ বছর কমবেশি ১ কোটি পিস কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়ছে।

আজ শুক্রবার ঢাকায় প্রতিটি চামড়া ঈদের দিনের চেয়ে ১০০ টাকা বা তার বেশি দামে বিক্রি হয়েছে।

রাষ্ট্রমালিকানাধীন তিন ব্যাংক ট্যানারিমালিকদের কোরবানির পশুর চামড়া কিনতে ১৬০ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে। বেসরকারি কিছু ব্যাংকও চামড়া কেনার জন্য ঋণ দিয়েছে।

ঢাকায় মাঝারি গরুর কাঁচা চামড়া বিক্রি হয়েছে প্রতিটি ৫০০-৬৫০ টাকায়। যা গত বছর বিক্রি হয়েছে ৭০০-৮০০ টাকায়।

প্রতিবছর কোরবানির আগে দাম ঘোষণার অনুষ্ঠান হয়, প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়, কিন্তু মাঠের চিত্র একই থাকে। এই চক্র ভাঙার সময় এসেছে। কোরবানির পশুর চামড়ার দাম পড়ে যাওয়ার সমস্যার সমাধান কীভাবে হবে?