
কৃষি ব্যাংক থেকে জামানত ছাড়াই ‘শস্য ঋণ’ পাবেন কীভাবে
বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরে ৩৯ হাজার কোটি টাকার কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরে ৩৯ হাজার কোটি টাকার কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
কৃষি ব্যাংকের রেমিট্যান্স উৎসবে ফরিদপুরের রাবেয়া মোটরসাইকেল জিতেছেন। মালয়েশিয়া থেকে স্বামী ২ লাখ ৫ হাজার টাকা পাঠানোর ফলে তিনি লটারিতে প্রথম হয়েছেন। ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ মার্চ পর্যন্ত ৪০ দিনের উৎসবে মোট ৩৯টি পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে।

কৃষি ব্যাংকের ‘অপরাজিত স্কিম’ বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ সঞ্চয়ী স্কিম, যাতে সর্বোচ্চ ১১% মুনাফা পাওয়া যায়। ২০২৪ সালের মার্চ থেকে চালু স্কিমে গত দুই বছরে ৭১৬ জন যোগ দিয়ে ৩ কোটি ৩১ লাখ টাকা সঞ্চয় করেছেন।

সব মিলিয়ে এই ক্যাম্পেইনে মোট ৩৮ জন গ্রাহককে পুরস্কার দেওয়া হবে। এই রেমিট্যান্স উৎসব চলবে ৩০ মার্চ পর্যন্ত।

একদল গ্রাহকের টানা আন্দোলন, সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের উত্তপ্ত আলোচনা এবং গ্রাহকের আতঙ্কসহ নানা ঘটনায় ইসলামী ব্যাংকের প্রবাসী আয়ে প্রভাব পড়েছে।

মোট ১৩ লাখ ১৭ হাজার ৪৯৮ জন কৃষক এ ঋণ মওকুফের সুবিধা পাবেন। এতে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে ব্যয় হবে ১ হাজার ৫৬৮ কোটি টাকা।

শিক্ষকতার পাশাপাশি তাঁদের অনেকেই আয় বাড়ানোর জন্য গাভি পালন, গরু মোটাতাজাকরণ, হাঁস-মুরগি পালন, মৎস্য চাষ, নার্সারি স্থাপন, ক্ষুদ্র ব্যবসা পরিচালনাসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে নিজেদের সম্পৃক্ত রাখেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন পরিচালকের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে এই তথ্য চাওয়া হয়েছে। সেই পরিচালক ব্যক্তিগত প্রয়োজনে এই তথ্য চেয়েছেন বলে একটি সূত্র জানিয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক আজ এক প্রজ্ঞাপনে বলেছে, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর প্রণীত ‘কৃষক স্মার্ট কার্ড নীতিমালা-২০২৫ ’-এর আলোকে কার্ডধারীর জন্য ব্যাংকগুলো ১০ টাকার হিসাব খুলবে।

২০২৫ সালের মে মাসে কৃষি খাতে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৬ হাজার ৮৮১ কোটি টাকা, যা চলতি বছরের একই মাসে ১৯২ দশমিক ৫৫ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ হাজার ১৩০ কোটি টাকা।

২০২২ সালভিত্তিক ‘সিনিয়র অফিসার (সাধারণ)’ পদে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় সফল ৯৪ জন প্রার্থী প্রাথমিক তালিকায় নির্বাচিত। সোনালী ব্যাংকসহ ৮টি ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠানে তাদের বরাদ্দ করা হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে তালিকা প্রকাশিত হয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারি ব্যয় ধান উৎপাদনের দিকে অতিমাত্রায় ঝুঁকে রয়েছে, যা কৃষিতে বৈচিত্র্য আনার পথে বাধা সৃষ্টি করছে।