
কৃষক কার্ড বিতরণ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
কৃষক কার্ড বিতরণ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

কৃষক কার্ড বিতরণ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশে নতুন পার্লামেন্ট ও নতুন সরকারের প্রায় দেড় মাস হলো। এ সময়ের মধ্যে সরকারের আলোচিত দুটি উদ্যোগ হলো পরীক্ষামূলকভাবে ফ্যামিলি কার্ড চালু এবং কৃষি কার্ড চালুর ঘোষণা দেওয়া।

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল জানান, আচরণবিধিতে স্পষ্ট বলা আছে, নির্বাচনের আগে কোনো দল বা প্রার্থী জনগণকে অনুদান বা লোভনীয় প্রতিশ্রুতি দিতে পারবে না।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, দেশের সব কৃষককে পর্যায়ক্রমে কৃষক কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

পয়লা বৈশাখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টাঙ্গাইলে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণের প্রি-পাইলটিং উদ্বোধন করবেন। কৃষিমন্ত্রী জানান, চার বছরে সারা দেশে কার্ড বিতরণ সম্পন্ন হবে। ঘারিন্দা ইউনিয়নের ১৪৭০ কৃষক প্রথমে কার্ড পাবেন।

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় পয়লা বৈশাখে প্রাক্–পাইলটিং পর্যায়ে ৩ হাজার ১৪৭ জন কৃষক ‘কৃষক কার্ড’ পাবেন। প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে অনুষ্ঠান হবে উথলি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে। কার্ডে ১০ ধরনের সুবিধা ও প্রণোদনা পাবেন কৃষকেরা।

আজ রোববার বেলা ১১টায় বাংলাদেশ সংসদ সচিবালয়ে কৃষক কার্ড বিষয়ে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এটিই তাঁর টাঙ্গাইলে প্রথম সফর। তাই দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে উৎসব আমেজ বিরাজ করছে।

পুঁজির বিস্তার, মুনাফার নিয়ন্ত্রণ, পণ্যকরণ ও বাজার সম্প্রসারণের ভেতর দিয়ে খাদ্যব্যবস্থায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বৈশ্বিক ক্ষমতাকাঠামোর কর্তৃত্ব।

সভা চলাকালে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে বেরিয়ে আসার সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ নিয়ে কথা বলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

সরকার তিন ধাপে সব কৃষককে ‘কৃষি কার্ড’ দেবে, যা ন্যায্যমূল্যে উপকরণ কেনা, সেচ, ঋণসহ ১০ সুবিধা প্রদান করবে। পয়লা বৈশাখ টাঙ্গাইলে প্রাক পাইলটিং পর্যায় শুরু হবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্বোধনে। প্রথম পর্যায়ে ২২ হাজার ৬৫ জন কৃষক অন্তর্ভুক্ত।

এ কার্ডের আওতায় জমির পরিমাণ অনুযায়ী কৃষক সার কিনতে পারবেন। এতে কৃষিজমিতে অতিরিক্ত সারের ব্যবহার বন্ধ হবে বলে আশা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের।