
কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে বড় নিয়োগ, পদ ২৫১
কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর ও অধিদপ্তরাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ১১ থেকে ২০ গ্রেডে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। মোট পদসংখ্যা ২৫১। আবেদনের শেষ তারিখ ২১ জুলাই ২০২৬।

কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর ও অধিদপ্তরাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ১১ থেকে ২০ গ্রেডে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। মোট পদসংখ্যা ২৫১। আবেদনের শেষ তারিখ ২১ জুলাই ২০২৬।

ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

কারিগরি শিক্ষা বোর্ড পরিচালিত এক বছর মেয়াদি ‘অ্যাডভান্সড সার্টিফিকেট কোর্স’ (২০২৬ সেশন)–এর শিক্ষার্থীদের অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রমের সময়সীমা বৃদ্ধি করা হয়েছে।

বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট অফিসকক্ষে উপস্থিত থাকার নির্দেশ সহ বিদ্যুৎ-জ্বালানি সাশ্রয় ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ১০টি নির্দেশনা জারি করেছে। নির্দেশনা কার্যকর করতে ছয় সদস্যের কমিটি গঠিত হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি গতকাল বুধবার প্রকাশিত হয়েছে।

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে জাতীয় দক্ষতামান বেসিক সার্টিফিকেট কোর্স (৩৬০ ঘণ্টা) শিক্ষাক্রমের জানুয়ারি–মার্চ, ২০২৬ সেশনের চূড়ান্ত লিখিত পরীক্ষা আগামী ৩ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়। কারণ, এখান থেকেই দেশের মানবসম্পদ তৈরি হয়।

কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের ভোকেশনাল শাখা ও শাখাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোয় ১৩ ক্যাটাগরির ২০০টি পদে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

বাংলাদেশে কারিগরি শিক্ষার নতুন নীতি প্রণয়নে যুক্ত অধ্যাপক মো. রিদওয়ানুল হক বলেছেন, ভবিষ্যতে চাকরি পাওয়ার মূল মাধ্যম হবে ডিগ্রি নয়, দক্ষতা।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত তৃতীয় ভাষা হিসেবে ইংরেজিসহ আরও কিছু ভাষা পড়ানো হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা বিশ্বের যেকোনো দেশে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারে।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের আওতাধীন কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১৫ হাজার ৮৪৪টি শিক্ষক পদের মধ্যে বর্তমানে ৭ হাজার ৭৪ জন কর্মরত আছেন।

দীর্ঘদিন ধরে কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি না করায় দেশের ৬২১টি ভোকেশনাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন বলেছেন, আগামী বছর থেকে মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডের বাংলা, ইংরেজির মতো সাধারণ বিষয়ের পরীক্ষাও অভিন্ন প্রশ্নপত্রে নেওয়া হবে।