
এলপিজি–সংকট কাটাতে জ্বালানি বিভাগের ৫ উদ্যোগ
এলপিজি–সংকট কাটাতে জ্বালানি বিভাগের ৫ উদ্যোগ

এলপিজি–সংকট কাটাতে জ্বালানি বিভাগের ৫ উদ্যোগ

সরকার থেকে সরকার পর্যায়ে এলপিজি আমদানির জন্য রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বিপিসিকে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

সরবরাহ কম থাকার সুযোগে ১ হাজার ৩০৬ টাকার এলপিজির সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে আড়াই হাজার টাকায়ও বিক্রি হচ্ছে।

এলপিজি আমদানির অনুমতি চেয়ে ১০ জানুয়ারি জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিবকে চিঠি দেন বিপিসির চেয়ারম্যান মো. আমিন উল আহসান।

তবে সরবরাহ সংকট কাটতে আরও কিছুদিন সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন জ্বালানি বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

কাল থেকে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড।

ঢাকায় রান্নার জ্বালানির উৎস মূলত দুটি—তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির পাইপলাইনে সরবরাহ করা প্রাকৃতিক গ্যাস।

বৃহস্পতিবার থেকে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধ

সরবরাহ বাড়েনি। এলপিজির ১০ শতাংশ ও প্রাকৃতিক গ্যাসের ৫ শতাংশ যায় পরিবহনে। আয় কমে গেছে গ্যাস স্টেশনের।

দেশে প্রতিবছর ১০ শতাংশের বেশি হারে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) চাহিদা বাড়ে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, এলপিজি–সংকট সরাসরি সারা দেশের পরিবহনব্যবস্থা, ভোক্তাস্বার্থ, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

রাজধানীতে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে; ডিসেম্বরে নির্ধারিত ১,২৫৩ টাকার ১২ কেজির সিলিন্ডার ১,৫০০-২,১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।