
দ্বিগুণ দামে এলএনজি আমদানি করেও গ্যাস সরবরাহ ধরে রাখা কঠিন
বৈশ্বিক সংকটে দেশে জ্বালানি সরবরাহে ঝুঁকি বাড়ছে। দ্বিগুণ দামে এলএনজি আমদানি করেও গ্যাসের চাহিদা পূরণ করা যাচ্ছে না। গ্যাসচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রের অর্ধেকের বেশি ক্ষমতা অলস এবং লোডশেডিং বাড়ছে।

বৈশ্বিক সংকটে দেশে জ্বালানি সরবরাহে ঝুঁকি বাড়ছে। দ্বিগুণ দামে এলএনজি আমদানি করেও গ্যাসের চাহিদা পূরণ করা যাচ্ছে না। গ্যাসচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রের অর্ধেকের বেশি ক্ষমতা অলস এবং লোডশেডিং বাড়ছে।

কাতার থেকে আমদানি হয় ৭০ শতাংশ এলএনজি, দেশটির উৎপাদন বন্ধ থাকবে লম্বা সময়। বিকল্প উৎসের সন্ধান। দাম চড়া।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশকে অনেক পণ্য কিনতে হবে, যাতে দেশটির বাণিজ্যঘাটতি কমে। বাংলাদেশের সঙ্গে তাদের বাণিজ্যঘাটতি ৬০০ কোটি ডলারের।

পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, জুন মাসের জন্য ক্রয়কৃত ৯ কার্গো এলএনজির মধ্যে ৫টি স্পট মার্কেট ও স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায় সংগ্রহ করা হয়েছে। বাকি চার কার্গো স্পট মার্কেট থেকে আনা হবে।

এলএনজি নিয়ে এক সপ্তাহে আসছে তিন ট্যাংকার

সানেমের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, তেলের দাম ৪০% এবং এলএনজি ৫০% বাড়লে জিডিপি ১.২% কমতে পারে, রপ্তানি ২% এবং আমদানি ১.৫% হ্রাস পাবে। মূল্যস্ফীতি ৪% বাড়বে এবং প্রকৃত মজুরি ১% কমবে। জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য সানেম নবায়নযোগ্য শক্তি ও মজুত তৈরির সুপারিশ করেছে।

ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে হরমুজ প্রণালির উত্তেজনার মধ্যেই ১৫টি পণ্যবাহী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে শুরু করেছে।

নতুন দুই কার্গো এলএনজি কেনা হয়েছে। বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি সাশ্রয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা।

ফ্যামিলি কার্ডধারীদের জন্য ২ কোটি লিটার সয়াবিন তেল কেনার প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে। একই বৈঠকে তিন কার্গো এলএনজি আমদানির প্রস্তাবও অনুমোদিত। সয়াবিন তেলের মোট খরচ ২৮২ কোটি ৫৭ লাখ টাকা।

জরুরি জ্বালানি চাহিদা পূরণে কাজাখস্তান থেকে ১ লাখ টন ডিজেল এবং সিঙ্গাপুর থেকে দুই কার্গো এলএনজি আমদানির প্রস্তাব মন্ত্রিসভা ক্রয় কমিটি অনুমোদন করেছে। প্রতি ব্যারেল ডিজেলের দাম ৭৫.০৬ ডলার, মোট খরচ ৬৮৯ কোটি টাকার বেশি। মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজার অস্থিতিশীল।

‘কেপলার’-এর মতে, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ তাদের এলএনজি আমদানির যথাক্রমে ৯৯ শতাংশ ও ৭০ শতাংশ পায় কাতার থেকে।