
কাতারে এলএনজি কমপ্লেক্সে বিস্ফোরণে ১৩ জন নিহত, সবাই ভারতীয় ও পাকিস্তানি
কাতারের জ্বালানিমন্ত্রী বলেছেন, বিস্ফোরণে নিহত সবাই ভারত ও পাকিস্তানের নাগরিক।

কাতারের জ্বালানিমন্ত্রী বলেছেন, বিস্ফোরণে নিহত সবাই ভারত ও পাকিস্তানের নাগরিক।

রাস লাফান শিল্পনগরীতে এ বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটেছে।

পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, জুন মাসের জন্য ক্রয়কৃত ৯ কার্গো এলএনজির মধ্যে ৫টি স্পট মার্কেট ও স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায় সংগ্রহ করা হয়েছে। বাকি চার কার্গো স্পট মার্কেট থেকে আনা হবে।

কক্সবাজারের মহেশখালীতে একটি টার্মিনালে আজ শনিবার দুপুর থেকে মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণকাজ শুরু হয়েছে।

আজ বুধবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এলএনজি কেনাসহ কয়েকটি প্রস্তাব অনুমোদিত হয়।

এখন দ্রুতই গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছে পেট্রোবাংলা।

ঢাকার দক্ষিণাংশ, গজারিয়া, মেঘনাঘাট, সোনারগাঁ, নারায়ণগঞ্জে আজ মঙ্গলবার গ্যাসের স্বল্পচাপ থাকবে।

কাতারএনার্জি এলএনজি উৎপাদন পুনরায় চালু করতে কাজ শুরু করেছে। রাস লাফানের কিউআইএলএনজি নর্থ ১ প্রকল্পের দুটি ট্রেন চালু হয়েছে। তবে পূর্ণ উৎপাদনের জন্য হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হওয়া জরুরি।

সানেমের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, তেলের দাম ৪০% এবং এলএনজি ৫০% বাড়লে জিডিপি ১.২% কমতে পারে, রপ্তানি ২% এবং আমদানি ১.৫% হ্রাস পাবে। মূল্যস্ফীতি ৪% বাড়বে এবং প্রকৃত মজুরি ১% কমবে। জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য সানেম নবায়নযোগ্য শক্তি ও মজুত তৈরির সুপারিশ করেছে।

বৈশ্বিক সংকটে দেশে জ্বালানি সরবরাহে ঝুঁকি বাড়ছে। দ্বিগুণ দামে এলএনজি আমদানি করেও গ্যাসের চাহিদা পূরণ করা যাচ্ছে না। গ্যাসচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রের অর্ধেকের বেশি ক্ষমতা অলস এবং লোডশেডিং বাড়ছে।

বৈশ্বিক সংকটে কাতার-ওমান থেকে এলএনজি সরবরাহ বন্ধ, খোলাবাজার থেকে দ্বিগুণ দামে কিনে গ্যাস ধরে রাখা হচ্ছে। তবু গ্যাস ঘাটতিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে লোডশেডিং বাড়ছে। ভর্তুকি ও ডলারের চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

জরুরি জ্বালানি চাহিদা পূরণে কাজাখস্তান থেকে ১ লাখ টন ডিজেল এবং সিঙ্গাপুর থেকে দুই কার্গো এলএনজি আমদানির প্রস্তাব মন্ত্রিসভা ক্রয় কমিটি অনুমোদন করেছে। প্রতি ব্যারেল ডিজেলের দাম ৭৫.০৬ ডলার, মোট খরচ ৬৮৯ কোটি টাকার বেশি। মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজার অস্থিতিশীল।