
ঈদ আনন্দ দেশে দেশে: মালয়েশিয়ার ‘মালাম রায়া’–র উৎসবমুখর রাত
মালয়েশিয়ার সংস্কৃতি, মানুষের আন্তরিকতা ও খাবারের বৈচিত্র্য ভ্রমণকারীদের মুগ্ধ করে। বিশেষ করে নাসি গোরেং, নাসি প্রেন্ডাংসহ নানা ধরনের ঐতিহ্যবাহী খাবারের স্বাদ মন ভরিয়ে দেয়।

মালয়েশিয়ার সংস্কৃতি, মানুষের আন্তরিকতা ও খাবারের বৈচিত্র্য ভ্রমণকারীদের মুগ্ধ করে। বিশেষ করে নাসি গোরেং, নাসি প্রেন্ডাংসহ নানা ধরনের ঐতিহ্যবাহী খাবারের স্বাদ মন ভরিয়ে দেয়।

ঈদুল আজহার ছুটিতে সংসদ ভবনের সামনে টমটমে চড়ছে লোকজন, পরিবার নিয়ে বিনোদনের জন্য ঘুরছেন অনেকে।

গল্পে ঈদুল ফিতরের স্মৃতি তুলে ধরা হয়েছে। ছোটবেলার ঈদ আর বড়বেলার ঈদের মধ্যে পার্থক্য তুলে ধরে নাহিদ তাঁর ঈদের দিনপঞ্জি শেয়ার করেছেন।

প্রতি ঈদে সেরা গরু নির্বাচন করা ছিল আমাদের বিশেষ দায়িত্ব। দুপুর গড়িয়ে বিকেলে রাস্তায় সারি সারি গরু যেত, গরুগুলো সাজানো থাকত নানা রঙে। গলায় মালা, পিঠে ফিতা, কপালে ঝলমলে আবরণে মনে হতো গরুগুলো অন্য এক পৃথিবী থেকে এসেছে।

ঈদের দিন মা, বাবা ও ভাইয়ের কবর জিয়ারত করেন প্রধানমন্ত্রী। বিডিআর বিদ্রোহে নিহত সেনা কর্মকর্তাদের কবরও জিয়ারত করেন তিনি।

দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা প্রায় দশ হাজার মানুষের উপস্থিতিতে গ্রামীণ আবহে ধারণ করা হয়েছে এবারের আয়োজন। কৃষকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মজার নানা খেলাধুলা ও প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।

ঈদের আগে সাধারণত তাঁতিরা ব্যস্ত থাকেন। কিন্তু এবার বেড়া ও সাঁথিয়ার তাঁতপল্লিগুলোতে দেখা গেছে সুনসান নীরবতা।

আলেয়া বেওয়া রাজশাহীর বাগমারার রামগুইয়া গ্রামের বাসিন্দা। মানসিক প্রতিবন্ধী একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে পাগলপ্রায় হয়ে পড়েছিলেন।

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে প্রবাসীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে উদ্যাপিত হলো ‘রোজা ও ঈদ মেলা ২০২৬’। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি মাউন্ট ড্রুইটের কেভিন বেটস স্টেডিয়ামে আয়োজিত এই মেলায় স্থানীয় বাংলাদেশি ছাড়াও সিডনির বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সমবেত হন অনেক মানুষ।

ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত এই দিন ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য আনন্দ, কৃতজ্ঞতা আর আত্মশুদ্ধির এক উপলক্ষ।

নুসরাত বেগমের মেয়ে নুসাইবা আক্তার (৯ মাস) জ্বর ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত। অসুস্থ মেয়েকে গত বুধবার রাতে ভর্তি করেছেন চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে।

উখিয়া ও টেকনাফের ৩৩টি আশ্রয়শিবিরে আড়াই লাখ রোহিঙ্গা পরিবারের বসবাস। এবারের ঈদুল আজহার দিন প্রায় ২ লাখ পরিবারকে দেওয়া হবে এক কেজি করে কোরবানির পশুর মাংস।