
সমাজে শান্তি ফিরাতে নবীজির অপূর্ব ৪ উদ্যোগ
মহানবী (সা.)–এর আগমন-পূর্ব আরব সমাজে ছিল যুদ্ধবিগ্রহ ও বিশৃঙ্খলার জয়জয়কার। তিনি সমাজে শান্তি ফিরিয়ে আনতে বিশেষ ৪টি উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন।

মহানবী (সা.)–এর আগমন-পূর্ব আরব সমাজে ছিল যুদ্ধবিগ্রহ ও বিশৃঙ্খলার জয়জয়কার। তিনি সমাজে শান্তি ফিরিয়ে আনতে বিশেষ ৪টি উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন।

নিজের চেয়ে কম যাদের আছে, তাদের দিকে তাকিয়ে শুকরিয়া আদায় করা, যা আছে তার জন্য কৃতজ্ঞ থাকা, আর তুলনার অভ্যাস থেকে নিজেকে সচেতনভাবে দূরে রাখা।

সম্মান শুধু কথায় নয়, মনোযোগেও প্রকাশ পায়। যখন আমরা কারও সঙ্গে কথা বলি, তখন সে বারবার ফোনের স্ক্রিন দেখলে কথোপকথনের সৌন্দর্য নষ্ট হয়।

আইয়ুবি শিক্ষাব্যবস্থার সবচেয়ে বড় অর্জন ছিল—রাজকোষের বাইরে ওয়াকফ্ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে এমন একটা স্বনির্ভর শিক্ষাকাঠামো গড়া, যা শাসক বদলালেও টিকে থাকতে পারে।

ইসলাম মানুষের জীবনকে এভাবে ভাগ করেনি যে এক ভাগ দুনিয়া আর আরেক ভাগে ইবাদত। ইসলাম শিখিয়েছে, মানুষের পুরো জীবনই ইবাদত হতে পারে।

ইসলামের ইতিহাসের আলোচনাতেও রাশিয়ার ও সেখানকার মুসলমানদের প্রসঙ্গ সেভাবে স্থান পায় না। অথচ রুশ দেশ থেকে হজ সফরের কাহিনি কম চিত্তাকর্ষক নয়।

উপকরণ। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী কর্তৃক অধিক মুনাফার আশায় খাদ্য বা জরুরি পণ্য লুকিয়ে রেখে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করাকে মজুতদারি বলা হয়।

জায়েদ নামের এক ইয়াহুদি পণ্ডিত ছিলেন। প্রচুর সম্পদ ছিল তাঁর। একপর্যায়ে ইসলাম গ্রহণ করেন এবং নবীজির সঙ্গে অনেক যুদ্ধেও অংশ নেন।

নেয়ামত কেবল ভোগের জন্য নয়; বরং একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও রয়েছে। তা হলো শোকর বা কৃতজ্ঞতা। কৃতজ্ঞতা ছাড়া নেয়ামতের প্রকৃত অর্থ পূর্ণতা পায় না।

প্রাচুর্য থাকা সত্ত্বেও অনেকে সংকটে ভুগছেন। অন্যদিকে সীমিত আয় করেও অনেক মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যে জীবন যাপন করছেন। কীভাবে? কারণ প্রকৃত স্বাচ্ছন্দ্য উপকরণে নয়।

ছাত্রদের অধিকাংশই ছিল গরিব ঘরের সন্তান—নিজের শহরে ফিরে গিয়ে একটা সম্মানজনক অবস্থান পাওয়ার আশায় তারা এখানে পড়াশোনা করতেন, আর মাদ্রাসা তাদের থাকা–খাওয়ার ব্যবস্থা করত।

রঙিন আর সুবাসিত ফুল কি শুধু মৌমাছিকে আকর্ষণ করার জন্যই তৈরি? মৌমাছি তো একটি অতি সাধারণ বা অনাড়ম্বর ফুলেও বসতে পারত, তবে কেন প্রকৃতিতে রঙের এই বিপুল সমারোহ?