
রুশ হজযাত্রীদের সফরনামা
ইসলামের ইতিহাসের আলোচনাতেও রাশিয়ার ও সেখানকার মুসলমানদের প্রসঙ্গ সেভাবে স্থান পায় না। অথচ রুশ দেশ থেকে হজ সফরের কাহিনি কম চিত্তাকর্ষক নয়।

ইসলামের ইতিহাসের আলোচনাতেও রাশিয়ার ও সেখানকার মুসলমানদের প্রসঙ্গ সেভাবে স্থান পায় না। অথচ রুশ দেশ থেকে হজ সফরের কাহিনি কম চিত্তাকর্ষক নয়।

ইতিহাসের সাপেক্ষে পড়লে একটি স্বাভাবিক প্রশ্ন ওঠে: মীর মশাররফ হোসেন কি ইতিহাস লিখেছিলেন, নাকি ইতিহাসের পটভূমিতে দাঁড়িয়ে একটি সাহিত্যিক কল্পনা গড়ে তুলেছিলেন?

আব্বাসীয় আমলে বাগদাদে কাগজ তৈরির কারখানা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এই প্রকাশনাশিল্প দ্রুত বিস্তার লাভ করে। আজকের প্রকাশকদের পূর্বসূরি ছিল এই ওয়াররাক সম্প্রদায়।

কর্দোবার অভিজাতদের অনুসরণে সাধারণ ধনাঢ্য নাগরিকদের মধ্যেও ব্যক্তিগত গ্রন্থাগার রাখার রীতি একপ্রকার সামাজিক মর্যাদার প্রতীক হয়ে উঠেছিল।

বই পোড়ানোর অধিকাংশ ঘটনাই ঘটেছে স্বৈরাচারী শাসকগোষ্ঠী এবং ক্ষমতার রাজনীতির প্রত্যক্ষ মদদে। যেকোনো স্বৈরাচারী ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্যই হলো মুক্তচিন্তাকে ভয় পাওয়া।

তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ অমর কীর্তি হলো ‘তাফসিরে ইবনে কাসির’। এর মূল শক্তি হলো—কোরআনের আয়াত দ্বারা কোরআনের ব্যাখ্যা এবং সহিহ হাদিসের যথাযথ প্রয়োগ।

শুধু মুখস্থের ওপর ভরসা করা হতো না। কোনো লেখা তখন পর্যন্ত গ্রহণ করতেন না, যতক্ষণ না এর পেছনে সাক্ষ্য থাকত যে এটি রাসুলের সামনে লিপিবদ্ধ করানো হয়েছে।

ওসমানিয়া শাসকরা মূলত সুলতান হিসেবে পরিচিত ছিলেন। যদিও পরবর্তীকালে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে মুসলমানরা অনেকেই তাঁদেরকে খলিফা ও ওসমানিয়া সাম্রাজ্যকে ওসমানিয়া খিলাফত হিসেবে অভিহিত করেছেন।

জুওয়াইনি এমন এক রাজনৈতিক দর্শনের অবতারণা করলেন, যা ভবিষ্যতের সম্ভাব্য বিপর্যয় বা ‘রাষ্ট্রহীন অবস্থা’ কল্পনা করে তার আইনি কাঠামো তৈরি করে রাখে।

এখন সড়ক ও সমুদ্র পথের চেয়ে আকাশপথে অনেক বেশি হজযাত্রীর আগমন ঘটে। অথচ ১০০ বছর আগেও হজ সফরের জন্য সড়ক ও নৌপথের ওপরই নির্ভর করতে হতো।

কাতারের আওকাফ মন্ত্রণালয় থেকে গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়েছে, যা ইতোমধ্যে হয়ে উঠেছে সিরাত সাহিত্যের অনিবার্য পাঠ। বিশুদ্ধ বর্ণনার বাইরে এতে কিছুই স্থান দেওয়া হয় নি।

বইটি প্রকাশের পর থেকে ইংরেজিভাষী মুসলিম–মুসলিম পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন তৈরি হয়। বইটি দেখলে জীবনীগ্রন্থ মনে হয় না, বরং যেন একটি সুপরিকল্পিত ‘স্টাডি গাইড’।