
ইসরায়েল এত অস্ত্র কোথায় পায়
ইসরায়েল এত অস্ত্র কোথায় পায়

ইসরায়েল এত অস্ত্র কোথায় পায়

১৯৬৭ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের পরপরই ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ বৃহৎ পরিসরে নিজস্ব অস্ত্রশিল্প গড়তে উদ্যোগী হয়।

ধরা হয়েছিল, গত বছরের জুনে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ১২ দিনের সংঘাতে ইরান সরকার কষ্টকর কিছু শিক্ষা পেয়েছিল।

যে ইসরায়েল সামনে আসছে, তা প্রতিষ্ঠানগত, আর্থিক ও সাংস্কৃতিক দারিদ্র্যের পথে হাঁটছে, কিংবা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ার দিকেই এগোচ্ছে।

ট্রাম্প ইসরায়েলকে এমন সুযোগও দেন, যাতে তারা পুরো অঞ্চলে নির্বিচার সামরিক অভিযান চালাতে পারে। গত বছর মাত্র ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ছয়টি আরব দেশে ইসরায়েলি হামলা চালানো হয়।

পাল্টাপাল্টি হামলায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান, শান্তি প্রচেষ্টা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

গত ২ মার্চ থেকে হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের মধ্যে নতুন করে যুদ্ধ শুরু হয়।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীকে গাজার ৭০ শতাংশ এলাকার দখল নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। বর্তমানে গাজার ৬০ শতাংশ এলাকায় ইসরায়েলি নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।

জ্বালানি তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর সংগঠন ওপেক থেকে আগামী মাসে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত সৌদি আরবের জন্য একটি সতর্কবার্তা।

আল-জাজিরার সম্প্রচারকে ইসরায়েলি নিরাপত্তা পরিষেবা ও সামরিক বাহিনী ‘নিরাপত্তার জন্য হুমকি’ মনে করছে।

গত বছরের শেষের দিকে ইসরায়েল সোমালিল্যান্ডকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর পরপরই সোমালিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে এবং আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে এর তীব্র নিন্দা জানানো হয়।

ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে তেলের দামবৃদ্ধি ও হিলিয়াম সংকট এআই শিল্পকে বিপাকে ফেলেছে। ডেটা সেন্টার বন্ধ ও চিপ উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা সরবরাহ ঘাটতির গুরুতর প্রভাবের আশঙ্কা জানিয়েছেন।