
আলমগীরের জন্মদিনে কারা উপস্থিত ছিলেন? ছবিতে দেখুন
৩ এপ্রিল আলমগীরের জন্মদিন। তিনি ঘরোয়া পরিবেশে দিনটি উদযাপন করলেও চলচ্চিত্র জগতের কাছের মানুষরা রাতের আয়োজনে উপস্থিত হয়েছিলেন। কেক কাটা, খাবার ও আড্ডায় ভরপুর ছিল অনুষ্ঠান।

৩ এপ্রিল আলমগীরের জন্মদিন। তিনি ঘরোয়া পরিবেশে দিনটি উদযাপন করলেও চলচ্চিত্র জগতের কাছের মানুষরা রাতের আয়োজনে উপস্থিত হয়েছিলেন। কেক কাটা, খাবার ও আড্ডায় ভরপুর ছিল অনুষ্ঠান।

দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অবদান রাখার জন্য বরেণ্য অভিনেতা আলমগীর পেয়েছেন ‘মেরিল-মুক্তকণ্ঠ আজীবন সম্মাননা’।

আওয়ামী লীগের দেড় দশকের শাসনকালে দমন-পীড়নের মধ্যে যে কয়েকজন বিএনপির ঝান্ডা ধরে রেখেছিলেন, তাঁদেরই একজন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। হামলার মুখে পড়েছেন, জেলে গিয়েছেন, তার মধ্যেই দলের মহাসচিবের দায়িত্ব পালনে অবিচল ছিলেন তিনি। খালেদা জিয়ার সরকারে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা নিয়ে এবার পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেন তিনি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সংসদবিষয়ক কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে বিকল্প দায়িত্ব দিয়েছে সরকার।

ডিফেন্স জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন আলমগীর হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক তারিকুল ইসলাম মাসুম।

টানা পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে দুই শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন আলমগীর। এর মধ্যে শাবানার সঙ্গে অভিনয় করেছেন ১০৬টি ছবিতে।

জাপানের মিশাতো সিটির লিতপিয়া পার্কে ১২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে বৈশাখী মেলা ২০২৬। আঁখি আলমগীর ও আরফিন রুমির গান মেলার প্রধান আকর্ষণ। প্রবাসী বাংলাদেশিদের মিলনমেলা এবং নতুন প্রজন্মের কাছে সংস্কৃতি পরিচিত করাই উদ্দেশ্য।

মাদারীপুরে আলোচিত আলমগীর হাওলাদার হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে সদর থানা ঘেরাও কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর ১২টার দিকে সদর মডেল থানার সামনে ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচি পালিত হয়।

নিজের জেলজীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে আনিস আলমগীর বলেন, ‘জেলে আমার প্রতিটা ক্ষণ, প্রতিটা দিন কীভাবে যে গেছে, এটা বলতে পারব না।’

সাংবাদিক আনিস আলমগীর আদালত থেকে জামিন পাওয়ার দুদিন পর গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন।

সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা এক মামলায় জামিন পেয়েছেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর।

দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর শুনানিতে বিষণ্ন হয়ে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়েছিলেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর। একপর্যায়ে নিজের আইনজীবীর সঙ্গে আলোচনার সময় তাঁকে আটক করে রাখার কোনো প্রতিবাদ না হওয়ায় সাংবাদিকদের নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।