
নওগাঁয় বাগান পরিদর্শন, আম আমদানিতে আগ্রহী জাপানের ব্যবসায়ীরা
দূতাবাসের আমন্ত্রণে রাজশাহী ও নওগাঁ অঞ্চলে রপ্তানিযোগ্য আমবাগান পরিদর্শনে এসেছেন জাপানের ব্যবসায়ী ও প্রতিনিধিরা। জাপানে আম রপ্তানি হলে আমচাষিরা অনেক লাভবান হবেন।

দূতাবাসের আমন্ত্রণে রাজশাহী ও নওগাঁ অঞ্চলে রপ্তানিযোগ্য আমবাগান পরিদর্শনে এসেছেন জাপানের ব্যবসায়ী ও প্রতিনিধিরা। জাপানে আম রপ্তানি হলে আমচাষিরা অনেক লাভবান হবেন।

এই বাড়ির ছাদে বাগানের সূচনা ২০১০ সালে। দুটি বারোমাসি আম দিয়ে শুরু করা সেই বাগানে এখন শোভা পাচ্ছে ২৬ প্রজাতির আমগাছ।

আমগুলো শুধু রঙেই আলাদা নয়, আকারেও বৈচিত্র্যময়। বড়, ছোট, লম্বা, গোল কিংবা পাতলা—একেকটা আম একেক ঢঙের। আমের স্বাদ ও গন্ধেও রয়েছে ভিন্নতা।

অপরিপক্ব আম বাজারজাত রোধে রাজশাহী, নওগাঁ, চুয়াডাঙ্গায় ‘ম্যাঙ্গো ক্যালেন্ডার’ ঘোষণা। জাতিওয়ারি আম কবে থেকে পাড়া যাবে তা নির্ধারিত। পরিপক্ব রাসায়নিকমুক্ত আমের সরবরাহ নিশ্চিত করতে এ উদ্যোগ।

এবার নির্ধারিত সময়ে বাজারে আসছে সাতক্ষীরার আম। অপরিপক্ব আম সংগ্রহ ও বাজারজাত ঠেকাতে আম সংগ্রহের ক্যালেন্ডার (সময়সূচি) ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রপাতে তিন নারীসহ ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে সদর, শিবগঞ্জ ও নাচোল উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে।

রাজশাহীতে শুক্রবার গুটি আমের আম পাড়া শুরু হয়েছে। বানেশ্বর বাজারে গাছপাকা গুটি আমের দাম মণে ১ হাজার ৩২০ টাকা। প্রথম দিনেই আচারের জন্য কাঁচা আমের লেনদেন বেশি হয়েছে।

নানা আকার, রং ও স্বাদের আম এখন গাছের ডালে ডালে ঝুলছে। এতেই ‘শৌখিন চাষি’ রেজাউল করিম খন্দকারের মন ভরে উঠেছে।

ঈদের ছুটি প্রায় শেষ হলেও রাজশাহীর সবচেয়ে বড় আমের হাট বানেশ্বরে এখনো বেচাকেনার গতি ফেরেনি। বাজারে প্রতিদিন আমের সরবরাহ বেড়েছে। তবে সেই তুলনায় ক্রেতা ও পাইকারদের উপস্থিতি কম।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাম উচ্চারণ করলেই মনে পড়ে শত বছরের আমের ঐতিহ্য—ফজলি, ক্ষীরসাপাতি, ল্যাংড়া, আশ্বিনা। এখানকার মানুষ গর্ব করে বলে, ‘চাঁপাইনবাবগঞ্জের মাটিতে মধু আছে।’

রাজশাহীতে টানা তাপপ্রবাহে এবং বৃষ্টির অভাবে অর্থকরী ফল আমের বাগানগুলোতে দেখা দিয়েছে বিরূপ প্রভাব। মাটিতে আর্দ্রতা কমে যাওয়ায় গাছ থেকে ঝরে পড়ছে কাঁচা আম; কোথাও কোথাও পচন ও পোকার আক্রমণও দেখা যাচ্ছে।

আমের মুকুল আসার পর থেকে অনাবৃষ্টি ও খরায় দুশ্চিন্তায় ছিলেন নওগাঁর আম ও বোরো চাষিরা। অপেক্ষা শেষে ফাল্গুনের বৃষ্টি তাঁদের কিছুটা স্বস্তি এনে দিয়েছে।