
আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত পৃথিবীকে উত্তপ্ত না শীতল করে
অগ্ন্যুৎপাতের সময় বায়ুমণ্ডলে প্রচুর পরিমাণে সালফার ডাই-অক্সাইড গ্যাস এবং ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ধূলিকণা নির্গত হয়।

অগ্ন্যুৎপাতের সময় বায়ুমণ্ডলে প্রচুর পরিমাণে সালফার ডাই-অক্সাইড গ্যাস এবং ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ধূলিকণা নির্গত হয়।

সকালে লাভা টাওয়ারের দিকে চলার সময় একটা চড়াই পার করে ভেবেছি এই বুঝি গন্তব্যে পৌঁছে গেছি। কিন্তু তারপরই সামনে আরেকটা দিগন্তছোঁয়া পাহাড় এসে সামনে দাঁড়ায়।

অ্যান্টার্কটিকার রস দ্বীপে অবস্থিত এই আগ্নেয়গিরিটির নাম মাউন্ট ইরেবাস। এটি বিশ্বের একমাত্র আগ্নেয়গিরি, যা লাভা ও গ্যাসের সঙ্গে তরল বা সাধারণ ধূলিকণা নয়, খাঁটি সোনার ক্ষুদ্র স্ফটিক বা ক্রিস্টাল বাতাসে উগড়ে দিচ্ছে।

গবেষকদের ধারণা, এটি খ্রিষ্টপূর্ব দ্বিতীয় শতক বা সম্ভবত তৃতীয় শতকের শেষভাগে লেখা হয়েছিল। বর্তমানে স্ক্রলটির অবশিষ্ট অংশের উচ্চতা মাত্র ৮ সেন্টিমিটার ও প্রস্থ ২ সেন্টিমিটার। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে খুলে খুলে পড়ার প্রচেষ্টার কারণে স্ক্রলটির বাইরের অনেক স্তর নষ্ট হয়ে গেছে।

গত ১৪ মার্চ ‘সুপার টুম’ চিলির আগ্নেয়গিরি ওহোস দেল সালাদোর চূড়ায় অবতরণ করেন, যা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৫ হাজার ৪৪২ মিটার (১৭ হাজার ৮৫৪ ফুট) উঁচুতে অবস্থিত।

জাপানের কিকাই ক্যালডেরা আগ্নেয়গিরির ম্যাগমা আধার পুনরায় পূর্ণ হচ্ছে বলে জানা গেছে। ৭৩০০ বছর আগে এর বিধ্বংসী অগ্ন্যুৎপাত জোমন সভ্যতা ধ্বংস করেছিল। গবেষকরা এর পুনরুজ্জীবনের আশঙ্কা করছেন।

নেপচুনের কক্ষপথের বাইরে ৫০০ কিলোমিটার ব্যাসের ২০০২ এক্সভি৯৩ গ্রহাণুতে অত্যন্ত পাতলা বায়ুমণ্ডলের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। নক্ষত্রিক গ্রহণের মাধ্যমে এই আবিষ্কার করা হয়েছে, যা সৌরজগতের প্রান্তীয় জগত সম্পর্কে নতুন জ্ঞান যোগ করছে। বিজ্ঞানীরা এর পুনরুদ্ধারের সম্ভাব্য কারণ হিসেবে ধূমকেতু সংঘর্ষ বা আগ্নেয়গিরি উল্লেখ করেছেন।