
অর্থনৈতিক সংস্কার এই বাজেটের মাধ্যমে সম্ভব হবে না: নাহিদ ইসলাম
দেশে অর্থনৈতিক সংস্কার এ বাজেটের মাধ্যমে সম্ভব হবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

দেশে অর্থনৈতিক সংস্কার এ বাজেটের মাধ্যমে সম্ভব হবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

নির্বাচনে ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক সংস্কারের প্রতিশ্রুতিতে ভোটাররা বেশি আস্থা রেখেছেন।

গবেষণা সংস্থা পিআরআই আয়োজিত ‘নির্বাচিত সরকারের জন্য অর্থনৈতিক সংস্কারের এজেন্ডা’ শীর্ষক সেমিনারে অর্থনীতিবিদেরা বিভিন্ন পরামর্শ–তাগিদ দেন।

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধির গতি অনেক দিন ধরেই মন্থর অবস্থায় রয়েছে। নতুন অর্থবছরে সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা হলো অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড যেন আবার গতিশীল হয়ে ওঠে।

বিশ্বব্যাংকের বোর্ড সভায় এই ঋণ অনুমোদন দেওয়া হয়। বিশ্বব্যাংক মনে করে, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি পুনরুদ্ধার ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য একটি শক্তিশালী ব্যাংক খাতই হলো পূর্বশর্ত।

চিফ হুইপ দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতি মোকাবিলায় ব্যাংকিং খাতে সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন।

বাংলাদেশে পে স্কেল বৃদ্ধি নিয়ে আলোচনায় মূল্যস্ফীতি ও জীবনমানের জটিল সম্পর্ক উঠে এসেছে।

রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর অর্থনীতি নানামুখী চাপে আছে। উচ্চ মূল্যস্ফীতি, নিম্ন রাজস্ব আহরণ, ব্যাংক খাতের দুর্বলতা, ঋণঝুঁকি ও প্রশাসনিক অদক্ষতা একসঙ্গে চাপ তৈরি করছে

এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেছেন, এনসিপির পক্ষ থেকে সরকারকে বাজেটের একটি রোডম্যাপ (পথনকশা) দিতে দলীয়ভাবে ছায়া বাজেট প্রণয়ন কমিটি করা হয়েছে।

উন্নয়ন পরিকল্পনার কাঠামোতে চারটি বড় সংস্কারের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। অর্থনৈতিক কৌশল প্রণয়ন অ্যাডভাইজরি কমিটির দ্বিতীয় সভায় এ তথ্য জানানো হয়। এর মাধ্যমে ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্য অর্জনের পথ সুগম করা হবে।

বিএনপি সরকারের বয়স আড়াই মাসের একটু বেশি। এই অল্প সময়েই সরকারকে একসঙ্গে কয়েকটি অস্বস্তিকর প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হচ্ছে—সংস্কার প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন, গুরুত্বপূর্ণ কিছু নিয়োগে বিতর্ক, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, জ্বালানি পরিস্থিতি এবং বাড়তে থাকা অর্থনৈতিক চাপ।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের অনেকে মনে করছেন, প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত আন্তরিকতা ও সাদামাটা চালচলন দৃষ্টিগ্রাহ্য হলেও সেটির প্রতিফলন এখনো পুরো সরকার, প্রশাসন ও মাঠপর্যায়ে দৃশ্যমান হয়নি।