
বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেল রপ্তানি, ইরান যুদ্ধের ফল
সামুদ্রিক গবেষণা পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ড্রিউরির তথ্যমতে, ১০ এপ্রিল শেষ হওয়া সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র থেকে তেল রপ্তানি দৈনিক ৫২ লাখ ব্যারেলে পৌঁছেছে, গত সাত মাসের মধ্যে যা সর্বোচ্চ।

সামুদ্রিক গবেষণা পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ড্রিউরির তথ্যমতে, ১০ এপ্রিল শেষ হওয়া সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র থেকে তেল রপ্তানি দৈনিক ৫২ লাখ ব্যারেলে পৌঁছেছে, গত সাত মাসের মধ্যে যা সর্বোচ্চ।

প্রায় এক মাস বন্ধ থাকার পর ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসিতে তেল শোধন কার্যক্রম পুনরায় শুরু হচ্ছে। সৌদি আরব থেকে এক লাখ টন কাঁচা তেল নিয়ে জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। শুক্রবার সকাল থেকে ধাপে ধাপে উৎপাদন বাড়ানো হবে।

দেশে অপরিশোধিত তেলের মজুত কত

ইরান যুদ্ধের কারণে অপরিশোধিত তেল আমদানি আটকে যাওয়ায় উৎপাদনের গতি কমিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছে দেশের একমাত্র সরকারি তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি।

হরমুজ প্রণালি দিয়ে অপরিশোধিত তেলবাহী জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে ইরানের সঙ্গে আলোচনা করছে চীন।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে অপরিশোধিত তেলের আমদানি স্তব্ধ হওয়ায় ইস্টার্ন রিফাইনারি নাইজেরিয়া, মালয়েশিয়া, নরওয়ে ও আলজেরিয়ার তেলে নজর দিয়েছে। মালয়েশিয়া থেকে এক লাখ টন তেল চলতি মাসে আসছে। এতে উৎপাদন সংকট এড়ানোর আশা।

প্রশাসন কারাকাসের সঙ্গে ২০০ কোটি ডলার সমমূল্যের অপরিশোধিত তেল রপ্তানি চুক্তি করেছে।

প্রায় এক মাস বন্ধ থাকার পর ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি আজ শুক্রবার সকাল থেকে অপরিশোধিত তেল শোধন শুরু করছে। সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন তেল নিয়ে জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। ধাপে ধাপে উৎপাদন বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

শুধু ইরানের তেল সরবরাহই যদি ব্যাহত হয়, তাহলে অপরিশোধিত তেলের দাম ৯ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে।

প্রায় এক মাস বন্ধ থাকার পর ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি শুক্রবার সকাল থেকে অপরিশোধিত তেল শোধন শুরু করেছে। সৌদি আরব থেকে এক লাখ টন তেল নিয়ে জাহাজ চট্টগ্রামে পৌঁছেছে। ধাপে ধাপে উৎপাদন বাড়ানো হচ্ছে, যদিও দেশের জ্বালানি চাহিদার মাত্র ২০ শতাংশ এখান থেকে আসে।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে ওপেকভুক্ত ও তৃতীয় বৃহত্তম অপরিশোধিত তেল উৎপাদক ইরানসহ পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চল থেকেই সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি আছে।

চট্টগ্রামের ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসিতে বর্তমানে প্রায় ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল মজুত রয়েছে। দৈনিক শোধনসক্ষমতা অনুযায়ী এই মজুত দিয়ে আরও ২০ থেকে ২২ দিন উৎপাদন চালানো সম্ভব। তবে নির্ধারিত সময়ে নতুন চালান না এলে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগারটির উৎপাদনব্যবস্থায় চাপ তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন জ্বালানি খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।