
আওয়ামী লীগের ‘ক্ষোভের ভোটে’ জামায়াতের জয়, বিএনপির বিভক্তিও আলোচনায়
ফরিদপুর-১ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এর আগে আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কোনো দলের প্রার্থীর জয়ের রেকর্ড ছিল না।

ফরিদপুর-১ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এর আগে আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কোনো দলের প্রার্থীর জয়ের রেকর্ড ছিল না।

জুলাই অভ্যুত্থানের পর অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্ব পেয়েছিলেন মো. আসাদুজ্জামান, এরপর ভোটের লড়াইয়ে নেমে হন সংসদ সদস্য। প্রথমবার আইনপ্রণেতা হয়েই মন্ত্রী হলেন এই আইনজীবী।

নেত্রকোনা-১ (সদর-দুর্গাপুর) আসনের সংসদ সদস্য কায়সার কামাল মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েছেন। মঙ্গলবার বিকেলে তিনি ভূমি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন।

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু প্রতিমন্ত্রী হিসেবে মঙ্গলবার বিকেলে শপথ নিয়েছেন।

বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ নেবেন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা।

সংসদ যখন কার্যকর থাকে না, তখন জনতা অনিবার্যভাবে রাজপথে নেমে আসে। জনতার সঙ্গে রাজপথে নেমে আসে সংঘাতও।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই–তৃতীয়াংশের বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে বিজয় লাভের পর বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে বিভাজন কাটিয়ে জাতীয় ঐক্য ও পুনর্গঠনের বার্তা দিয়েছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ফকির মাহবুব আনাম স্বপন নির্বাচিত হওয়ায় দীর্ঘদিনের হারানো আসনটি ফিরে পেল বিএনপি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৯ (সাভার) ও ঢাকা-২০ (ধামরাই) আসনে মোট প্রার্থী ছিলেন ১৪ জন, মোট ভোটকেন্দ্র ৪২২টি। প্রার্থীদের মধ্যে অনেকেই একাধিক ভোটকেন্দ্রে শূন্য, এক ও দুটি করে ভোট পেয়েছেন।

সামগ্রিকভাবে সংবাদ সম্মেলনে তারেক রহমানের বক্তব্যে একটি কার্যকর সংসদ প্রতিষ্ঠার অভিপ্রায় স্পষ্ট হয়েছে।

প্রথমবারের মতো মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হচ্ছে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়।

মাত্র ৩৮৫ ভোটের ব্যবধানে জয়ের ঘটনা যেমন আছে, তেমনি দেড় লাখের বেশি ভোটের ব্যবধানে জয়ের নজিরও রয়েছে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোটের ব্যবধানে জিতেছেন পার্বত্য রাঙামাটি আসনে বিএনপির প্রার্থী দীপেন দেওয়ান।