
চ্যালেঞ্জকে সুযোগে রূপান্তরই লক্ষ্য, বার্তা বিনিয়োগ সম্মেলনে
বৈশ্বিক অর্থনীতির অনিশ্চয়তা ও অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জের মাঝেও বাংলাদেশকে বিনিয়োগের জন্য স্থিতিশীল, পূর্বানুমানযোগ্য ও উন্মুক্ত গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরতে চায় সরকার।

বৈশ্বিক অর্থনীতির অনিশ্চয়তা ও অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জের মাঝেও বাংলাদেশকে বিনিয়োগের জন্য স্থিতিশীল, পূর্বানুমানযোগ্য ও উন্মুক্ত গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরতে চায় সরকার।

সুযোগ–সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে ইলেকট্রনিকস শিল্প বিশেষ অগ্রাধিকার পেয়েছে। পাশাপাশি বৈদ্যুতিক গাড়ি, সেমিকন্ডাক্টর, জুয়েলারি, জাহাজ, ড্রেজারসহ রপ্তানিমুখী বিভিন্ন খাত শুল্ক ও করছাড়ের মতো সুবিধা পেয়েছে বাজেটে।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটকে বাস্তবায়নযোগ্য বলে মনে করলেও রাজস্ব আহরণ, ব্যাংক ঋণ ব্যবস্থাপনা, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও কাঠামোগত সংস্কারের ঘাটতি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে এফবিসিসিআই।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আদেশের পরও শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে নতুন চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণের ফাইলটি অনুমোদন করা হয়নি। এর ফলে প্রজ্ঞাপন জারির দেড় মাস পরও নতুন চেয়ারম্যান দপ্তরে বসতে পারেননি।

বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বাংলাদেশের উন্নয়নে চীন বিভিন্নভাবে সমর্থন দিয়ে আসছে। ঠাকুরগাঁওয়ে শিল্পকারখানা গড়ে তুলতে তিনি চীনের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, জ্বালানিসংকট ও বিনিয়োগ স্থবিরতার মধ্যে অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে সরকার যেসব সংস্কারমুখী পদক্ষেপ নিয়েছে, তা প্রশংসনীয়।

পুলিশ সংস্কার নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে আমরা প্রায়ই জবাবদিহি, পেশাদারি এবং আচরণগত পরিবর্তনের কথা বলি। এসব অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বাস্তবতা হলো, প্রয়োজনীয় সম্পদ ও সক্ষমতা ছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল আশা করা যায় না।

সরকারের কৌশলগত ‘থ্রি আর’ (রিকভারি, রিস্টোরেশন অ্যান্ড রিকনস্ট্রাকশন) ফ্রেমওয়ার্ক এবং করব্যবস্থার ডিজিটালাইজেশন বিনিয়োগ পরিবেশের উন্নয়ন করবে।

সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা চেম্বার বলেছে, প্রস্তাবিত বাজেটটি বিগত অর্থবছরের তুলনায় ১৯ শতাংশ বড়।

প্রস্তাবিত বাজেটকে উৎপাদন ও বিনিয়োগবান্ধব ‘ক্রিয়েটিভ’ বাজেট বললেন মির্জা ফখরুল।

মাহদী আমিন বলেছেন, বাজেটে বিভিন্ন খাতে কর কমিয়ে জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন এবং বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

সাক্ষাৎকালে শিক্ষা, বিনিয়োগ, বাণিজ্য, প্রযুক্তি এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।